লতাপারুল অথবা রসুন্দি কথা

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রাশেদা ফেরদৌস

রাশেদা ফেরদৌস পপি। পেশায় মানুষ গড়ার কারিগর। নিভৃতচারী মিষ্টভাষী মানুষটিকে বন্ধুরা টেনে এনেছেন সাহিত্যের অনলাইন গ্রুপে। লেখাও প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সংকলনে। ‘বানান আপা’ বলে ডাকেন কেউ কেউ শুদ্ধ বানানের প্রতি তাঁর একনিষ্ঠ অনির্ণীত পক্ষপাত দেখে। কিন্তু এসব কিছু ছাপিয়ে তাঁর ধ্যান জ্ঞান ছাদ বাগান ঘিরে। এখন থেকে প্রাণের বাংলায়  উনাকে পাওয়া যাবে উনার গাছেদের গল্প নিয়ে।

 

 

এই অপরূপা কুঁড়িগুলো ফুল হয়ে ফোটা শুরু করেছে।
অবশেষে রসুন্দির দেখা পেলাম।
এক বছরের বেশি সময় লেগে গেল।
গত বছর কোন এক গাছপালা গ্রুপ থেকে এক টুকরো ডাল (প্রায় শুকনো) পেয়েছিলাম।
সেই ডাল ছাদ বগিানে লাগানোর পর আরও শুকিয়ে মরোমরো অবস্থা থেকে কুশি বের হয়ে, পাতা হলো, গাছ হলো। কিন্তু কলির দেখা নেই, কতবার ডালপালা ছেঁটে দিয়েছি রাগ করে। এইবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবার ফুলকলির দেখা না পেলে গাছ তুলে ফেলবো। প্রতিদিন গাছের সামনে দাঁড়িয়ে এই কথা শুনিয়ে আসা শুরু করলাম।
তারপরও দীর্ঘ সময় নিয়ে কুঁড়ি এলো,
তারও দীর্ঘ সময়ের পর চমৎকার ফুল হলো।
সেই ফুল অপরূপ রূপের পসরা সাজালো।
আমার রাগও পানি হয়ে গেলো।
আর মন পুলকিত হলো,
ছাদবাগান আলোকিত হলো।
আহা, কী আনন্দ !!
রসুন্দি, অনেকের কাছে লতাপারুল, নীলপারুল নামেও পরিচিত।

ছবি: লেখক

 

 

 

 

 

 

 

 


প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না, তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]


Facebook Comments Box