লা ডলসি ভিটার ষাট বছর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ফেদেরিকো ফেলেনির সেই বিখ্যাত ছবি ‘লা ডলসি ভিটা’ পা রাখলো ষাট বছরে।এখন থেকে ৬০ বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে রোম শহরের জীবনকে প্রেক্ষাপট করে ফেলিনি তৈরি করেছিলেন এই ছবিটি।

মারসেলো মাস্ত্রায়ানি

বিশ্বখ্যাত পরিচালক ফেদিরিকো ফেলেনির ভাতিজি ফ্রান্সিকা ফেলেনি জানিয়েছেন, এই ছবিটির পুনঃনির্মাণ করার জন্য বহু প্রযোজনা সংস্থা তাদের কাছে আবেদন জানিয়েছিলো। কিন্তু ফেলিনির পরিবার রাজি হয়নি। পরে রোম শহরের এএমবিআই প্রযোজনা সংস্থার কাছ থেকে প্রস্তাব পাবার পর তারা অনুমতি দেন। এই কোম্পানীর কর্ণধার আন্দ্রেয়া লিভলিনো তখন ফেলিনির পরিবারকে একটা কথাই বলেছিলেন,‘ ফেলিনির সম্মান তারা রক্ষা করবেন।

ফেদেরিকো ফেলিনি ১৯৯৩ সালে ৭৩ বছর বয়সে মারা যান। লা ডলসি ভিটা ছবিটি ১৯৬০ সালে মুক্তি পাবার পর সে বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘পাম ডি ওর ‘ পুরস্কার লাভ করে।

লা ডলসি ভিটার কেন্দ্রীয় চরিত্রে এক রমণীমোহন পুরুষের ভূমিকায়  অভিনয় করেন আরেক বিখ্যাত ইতালীয় অভিনেতা মারসেলো মাস্ত্রায়ানি। ছবির কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন অ্যানিটা একবার্গ। এই সিনেমাটি মুক্তি পাবার পর থেকেই আলোকচিত্রশিল্পীদের জন্য ‘পাপ্পারাজ্জি’ কথাটার তকমা জুটে যায়। এই ছবিতেই মাস্ত্রোয়ানি তার এক বন্ধু ফটোগ্রাফারকে এই নামে সম্বোধন করেন। তখন ইতালীতে চলচ্চিত্রের তারকাদের আশপাশে ছবি তুলতে ভীষণ আগ্রহী একদল মানুষকে ক্যামেরা হাতে ভিড় জমাতে দেখা যেতো। লা ডলসি ভিটা মুক্তি পাওয়ার পর এই শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক পরিচিতিও লাভ করে।

ফেলেনি বহু বছর আগে তার এই বিখ্যাত ছবি বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই সিনেমার গল্প তাঁর মাথায় আসে তখনকার মেয়েদের বিশেষ এক ধরণের পোশাকের ফ্যাশন দেখে। গাউন সদৃশ সেই পোশাকের আড়ালে নারীর লোভনীয় শরীর শুধু নয়, গভীর শূন্যতাও থাকতে পারে এই ভাবনাটাই ফেলেনিকে দিয়ে লিখিয়ে নেয় লা ডলসি ভিটার প্লট।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক

তথ্যসূত্র ও ছবিঃ দ্য গার্ডিয়ান   

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]