শিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী : জন্মদিনের শুভেচ্ছাঞ্জলি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আবদুল্লাহ আল মোহন

বাংলা গানের জনপ্রিয় শিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী।জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪০ সালের ১ জুলাই।পাঁচ-পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই গুণী সংগীতশিল্পী আজ ৭৯ বছরে পা দিলেন। সেই সঙ্গে তাঁর সঙ্গীত জীবনেরও ৫৯ বছর পূর্ণ করে ৬০ বছরে পা দেবেন বলে জানা যায়। এমন আনন্দদিনে আমরা তাঁর সুস্থ ও আনন্দময় দীর্ঘ জীবন কামনা করি।

তপন চৌধুরী ও রুনা লায়লার সঙ্গে

গত পাঁচ দশকেরও বেশী সময় ধরে যিনি গানের ভূবনে বিচরণ করছেন, গেয়েছেন অনেক কালজয়ী গান। সংগীতবোদ্ধাদের মতে, ক্যারিয়ারের এই লম্বা পথ পরিক্রমায় এতটুকুও খাদ পড়েনি তাঁর দরাজ কন্ঠে। অথচ তাঁর সমসাময়িক অনেকেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন গানের জগৎ থেকে, কেউবা আবার পৃথিবীর মায় ছেড়ে অন্যলোকেও চলে গেছেন। কিন্তু আব্দুল হাদী যেন এখনো চিরতরুণ, চিরসবুজ, চিরসতেজ তাঁর দরাজ কন্ঠ; ঠিক আগের মতই। শিল্পী এখনো অবিরাম গেয়ে চলেছেন একের পর এক গান। আর এভাবেই বাংলা গানের প্রবাদসম ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আবদুল হাদী নিরলস সেবা দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনকে । কঠিন, কঠোর অনুশীলন আর একাগ্র সাধনায় যেমন নিজেকে গড়ে তুলেছেন, তেমনই প্রতিনিয়ত অন্যকেও বিকশিত করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন সঙ্গীত শিল্পীদের উন্নয়নে, সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা গানের ভাণ্ডার, এখনও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন রুচিশীল সঙ্গীতকে চারদিকে ছড়িয়ে দিতে । তিনি গান করতেন ছোটবেলা থেকেই । বাবার শখের গ্রামোফোন রেকর্ডের গান শুনে সেই কৈশোর জীবন থেকেই সঙ্গীত অনুরাগী হয়ে উঠেন তিনি। তারপর আর থেমে থাকেননি। নিরন্তর গান করে খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বেতার, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অজস্র গান করে জনপ্রিয় হয়েছেন বহু আগেই। পেশা সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন গানের চর্চা কমিয়ে দিলেও তিনি এদেশের সঙ্গীত পিপাসুদের অন্তর জয় করেছেন এই স্বনামধন্য শিল্পী। এক আলাপনে জনপ্রিয় শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী জানান, সংগীতে আসার পরিকল্পনা প্রথম জীবনে ছিল না তাঁর। একটা সময় শুধু ‘প্যাশন’ ছিলো গান করা। কিন্তু কখন কীভাবে যে এটাই পেশা হয়ে গেল, তা তিনি নিজেও জানেন না। বলেছেন, ‘আমাদের সময়ে এমন কোনো পরিস্থিতি ছিলো না যে গান নিয়ে জীবন ধারণ করা যাবে। কিন্তু জীবন চলার পথে সরকারি চাকরি, শিক্ষকতাসহ নানা পেশায় নিয়োজিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত শুধু গানটাই রয়ে গেছে জীবনে।’
সৈয়দ আব্দুল হাদীর জন্ম ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামে। তবে গানের জগতে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রম করে আসা এ শিল্পীর শৈশব-কৈশোর কেটেছে আগরতলা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কলকাতায়। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ আব্দুল হাই । তাঁর পিতা তদানীন্তন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন ।তিনি অবসর নিয়েছিলেন ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে। পাঁচ ভাই ও দু’বোনের মধ্যে তিনিই সবার বড় । বাবা সৈয়দ আবদুল হাইয়ের কণ্ঠে গাওয়া গান শুনে শুনেই গাওয়ার প্রতি আগ্রহ জন্মে এই শিল্পীর। তাই কৈশোর থেকেই সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগী হয়ে উঠা এ কিংবদন্তি হারমোনিয়াম নিয়ে গান শিখতে বসে পড়েন। এরপর সময়ের স্রোতে ভাসতে ভাসতে ১৯৫৮ সালে এসে তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে। সেখানে এসেই গীতিকার ও কবি ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের সরাসরি সান্নিধ্য লাভ করেন। এরই মধ্যে গানের জগতে একটু একটু করে আলো ছড়াতে শুরু করেন।

অটোগ্রাফ শিকারীদের মধ্যে

এরপর চূড়ান্তভাবে ১৯৬০ সালে চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। তবে ১৯৬৪ সালে সর্বপ্রথম ‘ডাকবাবু’ নামের একটি সিনেমাতে এককভাবে প্লেব্যাক করার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রের শিল্পী হিসেবে চূড়ান্তভাবে যাত্রা শুরু হয় তার। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বাংলা গানের এ নক্ষত্রের। পরপর কয়েকটি জনপ্রিয় গান করে দেশের তারকা শিল্পী হয়ে যান আবদুল হাদী। সেদিনে তার গাওয়া বিখ্যাত গানগুলো এখনও মানুষের মুখে মুখে।

তার গাওয়া ‘দূর দেশ’ সিনেমার ও ‘যেও না সাথী, চলেছো একেলা কোথায়’ গানটি সুপার হিট হয়। তারপরই গানটি সাবিনা ইয়াসমিনসহ ভারতের আরেক কিংবদন্তি শিল্পী লতা মুঙ্গেশকরও হিন্দিতে কণ্ঠ দেন। এছাড়াও ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো, ‘চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিঁড়ে কাদিস কেন মন’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো আর কতদিন বল সইবো’, ‘আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, গানগুলো দেশ-বিদেশের শ্রোতাদের কাছে প্রচুর জনপ্রিয়তা পায়। এছাড়াও তার কণ্ঠের দেশাত্ববোধক ‘সূর্যদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি ও আমার বাংলাদেশ’ গানটির তুমুল জনপ্রিয়তা আজ অব্দি ধরে রেখেছে এবং এটি যুগযুগ ধরে দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়েই থাকবে।
তবে সৈয়দ আবদুল হাদীকে শ্রোতারা এতদিন চলচ্চিত্রের কণ্ঠশিল্পী হিসেবে জেনে থাকলেও সম্প্রতি রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়েও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন তিনি। কিছুদিন আগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশতজন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বাজারে নিয়ে আসেন রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রথম একক অ্যালবাম ‘যখন ভাঙলো মিলনমেলা’। যার মধ্যে ‘তুমি কি কেবলই ছবি’ এবং ‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’ গান দুটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। তবে শুধু রবীন্দ্রনাথের অ্যালবামই নয়, এর আগে এ শিল্পী নজরুল সঙ্গীতের অ্যালবামও বের করেছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবনে গানের বাইরের জগতেও একজন সফল মানুষ তিনি। তিনি লেখাপড়া করেছেন ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়া, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় মাষ্টার্স পাশ করার পর তিন বছর অধ্যাপনা করেছেন জগন্নাথ কলেজে । এরপর বাংলাদেশ টেলিভিশনে যোগ দেন। বিটিভির প্রথম চারজন প্রডিউসারের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন। তাছাড়াও তিনি মাস মিডিয়া ও পরিশেষে পাবলিক লাইব্রেরীতে ২৫ বছর চাকুরী করার পর ডিরেক্টর হিসেবে অবসর নেন ১৯৯৮ সালে । লন্ডনে ওয়েল্স ইউনিভার্সিটিতে প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান হিসেবে অবসরকালীন দায়িত্ব পেয়েছিলন সৈয়দ আবদুল হাদী।
গানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘গরীবের বউ’ এবং ‘ক্ষমা’ ছবির জন্য পরপর পাঁচবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন এ গুণী শিল্পী। গান নিয়ে এখন তার ব্যস্ততা একটু কম হলেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বিচারকের দায়িত্বও পালন করে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি দীর্ঘ বিরতির পর সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে ‘অনেক দামে কেনা’ নামের একটি ছবির প্লেব্যাকেও অংশ নিয়েছেন সৈয়দ আবদুল হাদী। ফলে দীর্ঘদিন পর আবারও এ কিংবদন্তি শিল্পীর কণ্ঠে সিনেমার গানের স্বাদ নিতে পারবেন শ্রোতারা।
আমাদের বাংলা গানের অন্যতম প্রবাদ পুরুষ সৈয়দ আবদুল হাদী। তার গাওয়া কালজয়ী অনেক দেশের গানই শ্রোতাদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে। এবার এই প্রিয় শিল্পীর একটি সাক্ষাৎকার পাঠ করা যাক। যার মধ্য দিয়ে শিল্পীর আপন ভুবনকে জানাটা আরো গভীরভাবে সম্ভব হবে। খ্যাতিমান এই শিল্পী দেশের গান নিয়ে ব্যক্ত করেছেন তার অনুভূতির কথা।
অন্য ধারার গানের চেয়ে আপনি যখন একটি দেশের গান করেন, তখনকার প্রস্তুতি বা অনুভূতি কেমন থাকে?
-একজন শিল্পীর জন্য বা গায়ক গায়িকার জন্য যে গানই তারা করুকনা কেন সেটার মধ্যে তার ব্যক্তিগত অনুভূতি তো অবশ্যই থাকতে হবে। অনুভূতি ছাড়া তো আর গান হয়না। যে কোনো গানের সঙ্গেই অনুভূতি থাকতে হবে। তবে অনেক সময় এমন গানও গাইতে হয় যেটার সঙ্গে তার হৃদয়ের কোনো সর্ম্পক নাই বা এই গানটা এমনও হতে পারে যে খুব বেশি পছন্দ ও নয়। প্রফেশনাল আর্টিস্টদের অনেক সময় বাধ্য হয়েই এ ধরনের গান করতে হয়। কিন্তু দেশের গানের ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্ন। এটা একেবারেই নিজের, একজন শিল্পীর বা একজন মানুষের ব্যক্তিগত অনুভূতি এর সঙ্গে এতটাই সম্পৃক্ত যে কোনো মানুষই হোক আমি তো মনে করি ধর্ম বর্ণ বয়স নির্বিশেষে এমন কোনো মানুষ থাকার কথা নয় আমি বিশ্বাস করি নিজের দেশকে ভালোবাসেনা। একেক জনের প্রকাশ একেক রকম ভাবে। একজন শিল্পীর প্রকাশ তার গানের মধ্য দিয়ে। এবং তার মধ্যে তার অন্তরের এতটুকু ভালোবাসা দেশ সম্পর্কে আছে এই সবটারই তিনি প্রতিফলন ঘটাতে চান।
বেতার বা টেলিভিশন মাধ্যম এমনকি আমাদের চলচ্চিত্রেও মনে হচ্ছে দেশের গান কম হচ্ছে। বলা যায় আগের তুলনায় কম। দেশের গান শুনে কি আমাদের দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ আসলেই ঘটছে?
-আমি তোমার কথার সঙ্গে একটা দিকে মিল পাচ্ছি অন্যদিকে আবার মিল পাচ্ছি না। আমি একটু ভিন্ন মত পোষণ করি, ঠিক ওটা ভিন্ন মতও না। এটা একটা বাস্তব দিক। আমাদের দেশে বা আমাদের ভাষায় যত দেশাত্মবোধক, দেশের গান বা দেশপ্রেমমূলক গান যাই বলি না কেন, বাংলা গানের শুরু থেকে- আমার মনে হয় না পৃথিবীর আর কোনো দেশে বা আর কোনো ভাষায় দেশপ্রেমের এত গান আছে। তুমি বহিঃপ্রকাশের কথা যেটা বললে, আই অ্যাম নট সিওর। দেশের গান এত বেশি গাওয়া হয় কিন্তু দেশপ্রেমের মাত্রা কতটুকু সেই সম্পর্কে সন্দেহ থাকা স্বাভাবিক। এবং অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের দেশের কিছু মানুষের কথা মনে হলে প্রশ্ন জাগে এদের ভেতর কি দেশপ্রেম বলতে কোনো জিনিস নেই। থাকলে পরে তো এরকমটি হওয়ার কথা নয়। অডিওতে দেশের গানের অ্যালবাম খুব একটা হয় না। যদিও এখানে বাণিজ্যিক একটা বিষয় থাকে। এই যে এখন জাগরণের গান নাম দিয়ে হচ্ছে-এটা দেশপ্রেমের জন্য বা দেশ প্রেমমূলক গানের প্রতি প্রেম ভালোবাসার জন্য যে হচ্ছে তা নয়। এটা একটা কোম্পানীর অ্যাড। যেমন এইচএসবিসি করে বাংলা গান নিয়ে।

বাণিজ্যিক গানের পাশাপাশি কি দেশের গানের অ্যালবাম করা যায় না?
-কিছু কিছু আমাদের আছে। তুমি ঠিকই বলেছো, সংখ্যায় খুবই কম। দেশপ্রেমের গান আমরা বেশিরভাগই রেডিও টেলিভিশনে করিছি। কিন্তু অডিওতে খুব বেশি আছে বলে আমারও মনে হয় না। দু’একটা প্রতিষ্ঠান আছে তারা করেছে কিছু। তারা অবশ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। আরো দেশের গানের অ্যালবাম হওয়া উচিত ছিলো।
আপনার গাওয়া কিছু দেশের গানের নেপথ্য গল্প শুনতে চাই?
-নেপথ্য গল্প এগুলোর কিছু নেই। আমরা তো ভাষা আন্দোলনের সময় স্কুলে পড়তাম। কিন্তু পরে যখন বড় হয়ে বুঝতে শিখলাম, তখন থেকেই আমরা গান করছি। আমারই গান রয়েছে ভাষার ওপর কবি শামসুর রাহমানের লেখা সেই ষাটের দশকের প্রথম দিকে। এই গান তো অহরহ গাওয়া হচ্ছে, আমি গাইছি। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ও আমি এবং আলতাফ ভাই (শহীদ আলতাফ মাহমুদ) কিছু গান করে স্বাধীন বাংলা বেতারের জন্য পাঠিয়েছি। কিন্তু দুঃখজনক হলো সেই গানগুলো শেষ পর্যন্ত সেখানে পৌঁছায়নি। তার কিছু দিন পরেই আলতাফ ভাই ধরা পড়ে যান। আমার মনে হয় এই প্রসঙ্গে আলতাফ ভাই সম্পর্কে কিছু কথা বলা দরকার। শিল্পীদের মধ্যে তার মতো এত বড় আত্মত্যাগ দেশপ্রেমের জন্য কেউ করেনি। হি ওয়াজ এ রিস্ক টেকার। আমি নিজে তার সাক্ষী। আমার বাসায় বসে গভীর রাতেঃ কারণ এসব গান তো স্টুডিওতে রেকর্ডিং করা যেতো না। আমার টেপ রেকর্ডারে গভীর রাতে দরজা জানালা বন্ধ করে দেশের জন্য গান করে তা স্বাধীন বাংলা বেতারের জন্য পাঠিয়েছি।

(সূত্র : উইকিপিডিয়া, দৈনিক ইত্তেফাক, ইন্টারনেট)

ছবি: গুগল

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]