শুভ জন্মদিন বিদ্যাসাগর

লুৎফুল কবির রনি

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আক্ষেপ করে লিখেছেন, One wonders how God, in the process of producing forty million Bengalis, produced a man! অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তা চার কোটি বাঙালির মধ্যে কেবল এই একজনই মানুষ সৃষ্টি করেছেন!

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মের সময় তার বাবা বাড়িতে ছিলেন না। তিনি পাশের গ্রামে হাটে গিয়েছিলেন। ছেলেকে এই সুসংবাদ জানাতে উৎফুল্ল ঠাকুর্দা ছুটলেন হাটের দিকে। পথিমধ্যে ছেলের সাক্ষাৎ পেয়ে বললেন, আমাদের একটি এড়ে বাছুর হয়েছে। সে সময় বাড়িতে একটি গরু ছিল; তারও দু’একদিনের মধ্যে প্রসবের সম্ভাবনা ছিল বিধায় বিদ্যাসাগরের বাবা সে কথা বিশ্বাস করে বাড়িতে ঢুকেই গোয়াল ঘরের দিকে চললেন। তখন বিদ্যাসাগরের দাদু ছেলেকে থামিয়ে রহস্যের হাসি দিয়ে ওদিকে নয়, এদিকে এসো, আমি তোমাকে এড়ে বাছুর দেখিয়ে দিচ্ছি বলে সূতিকাগৃহে নিয়ে গিয়ে সদ্য জন্ম নেওয়া ঈশ্বরচন্দ্রকে দেখিয়ে দিলেন।
‘পিতামহদেব পরিহাস করিয়া আমায় এড়ে বাছুর বলিয়াছিলেন। তিনি সাক্ষাৎ ঋষি ছিলেন। তাহার পরিহাস বাক্যও বিফল হইবার নহে। আমি যে ক্রমেই এড়ে গরু অপেক্ষাও একগুয়ে হইয়া উঠিতেছিলাম তাহা বাল্যকাল হইতেই আমার আচরণে বিলক্ষণ আবির্ভূত হইতো।’

বিদ্যাসাগর তখন সংস্কৃত কলেজের ছাত্র। সেদিন ছাত্ররা ক্লাসে পড়ছিলো। কাব্যশাস্ত্রের অধ্যাপক জয়গোপাল তর্কালঙ্কার ক্লাসে ঢুকেই ছাত্রদের বললেন, ‘গোপালয়ে নমোহস্তু তে’ বাক্যটি দিয়ে চতুর্থ চরণ একটি শ্লোক রচনা করতে। বিদ্যাসাগর বাক্যটি শুনেই রসিকতা করে বললেন, এক গোপাল তো দেখছি আমাদের সামনেই রয়েছেন, আর এক গোপাল বহুকাল আগে বৃন্দাবনে লীলা করেছিলেন। কোন গোপালের বর্ণনা করবো? ছাত্রের এই বুদ্ধিদীপ্ত সঙ্গত প্রশ্ন শুনে অধ্যাপক জয়গোপাল খুশি হলেন। হেসে বললেন, বেশ বৎস, আপাতত বৃন্দাবনের গোঁপালেরই বর্ণনা করো।

বিদ্যাসাগর তখন সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ। সাধারণত তিনি ছাত্রদের শারীরিক শাস্তি দান পছন্দ করতেন না। তিনি প্রায়ই ক্লাস চলাকালীন টহল দিয়ে বেড়াতেন। একদিন দেখলেন, এক অধ্যাপকের টেবিলের উপর একটি বেত রাখা। তিনি অধ্যাপককে আড়ালে ডেকে ক্লাসে বেত নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলেন। অধ্যাপক বললেন, ম্যাপ দেখানোর সুবিধার জন্য ওটি নিয়ে গিয়েছি। বিদ্যাসাগর হেসে বললেন, বুঝেছি, রথ দেখা এবং কলা বেচা দু’টোই হবে। ম্যাপ দেখানোও হবে। আবার প্রয়োজন হলে ছেলেদের পিঠে দু’ঘা বসানোও যাবে। কী বলেন? একথা শুনে অধ্যাপক মাথা হেট করে রইলেন।

একদিন ঈশ্বরচন্দ্ৰ বিদ্যাসাগরের কাছে এক গোড়া ব্ৰাহ্মণ দেখা করতে এসেছেন। সেখানে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের কেউই এই অপরিচিত ব্ৰাহ্মণকে প্ৰণাম করলেন না। এই ব্যবহারে ব্ৰাহ্মণ অপমানিত বোধ করলেন। অপমানের জ্বালা মেটাতে উপস্থিতদের লক্ষ্য করে বললেন, এইসব অর্বাচীনদের মনে রাখা উচিত যে, ব্ৰাহ্মণেরা বর্ণশ্রেষ্ঠ, বেদজ্ঞ। এক সময় তারা দেশ ও ধর্মের কল্যাণ সাধন করেছেন। তারা সব সময় সকলেরা প্ৰণম্য । একথা শুনে বিদ্যাসাগর হেসে বললেন, ‘পণ্ডিত মশাই, শ্ৰীকৃষ্ণ একদিন বরাহরূপ (শূকরের চেহারা) ধরেছিলেন বলেই কী ডোমপাড়ায় যত শূকর আছে, তাদের প্রণাম করতে হবে?’

বিদ্যাসাগরের বাবা ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ছোট ছেলে ঈশানচন্দ্র এবং বড় নাতি অর্থাৎ বিদ্যাসাগরের ছেলে নারায়ণকে অত্যাধিক স্নেহ করতেন। ফলে বাড়ির অন্য কেউ তাদের শাসন করার খুব একটা সাহস পেত না। অবস্থা বেগতিক দেখে বিদ্যাসাগর পিতৃদেবের মুখোমুখি হলেন। অনুযোগের স্বরে বললেন, বাবা আপনি না নিরামিষাশী? অথচ আপনি দু’বেলা ঈশান আর নারায়ণের মাথা খাচ্ছেন!

কোনো এক সাব-জজ প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর পুনরায় বিয়ে করলে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাকে বললেন, ‘তোমার তো মরার পরেই স্বৰ্গবাস!’
কেন?
বিদ্যাসাগর বলেন, ‘আমরা মরলে কিছুদিন নরক যন্ত্রণা ভোগ করে তারপর স্বর্গে যাব। কিন্তু তুমি এখন নরক ভোগ করবে। ফলে মরার পর সরাসরি স্বৰ্গে যাবে।’

একবার এক সম্রান্ত লোক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলেন। বিদ্যাসাগরের প্ৰিয় শখ ছিল বই পড়া এবং সেগুলো যত্ন করে। বাধাই করে রাখা। এ কাজে তিনি প্রচুর অর্থ ব্যয়ও করতেন। ভদ্রলোক বইগুলো দেখে বললেন, এরূপ এত খরচ করে বইগুলো বাঁধিয়ে না রাখলেও হতো।
কেন? এতে দোষ কী? ওই টাকায় অনেকের উপকার হতে পারতো। বিদ্যাসাগর তামাক খেতে খেতে ভদ্রলোকের শাল লক্ষ্য করে বললেন, আপনার শালটি চমৎকার। কোত্থেকে, কত দিয়ে কিনেছেন? শালের প্রশংসা শুনে ভদ্রলোক উৎফুল্ল কণ্ঠে বললেন, শালটি পঁচিশ টাকায় খরিদ করা। বিদ্যাসাগর সুযোগ পেয়ে বললেন, পাচ সিকের কম্বলেও তো শীত কাটে, তবে এত টাকার শালের প্রয়োজন কী? এ টাকায়ও তো অনেকের উপকার হতে পারতো।

ইংরেজ রাজদরবার থেকে বিদ্যাসাগর নতুন উপাধি পেয়েছেন। একথা শুনে এক পল্লীগ্রামের শিক্ষক তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসে জিজ্ঞেস করলেন, মশাই, নতুন উপাধিটার মানে কী?
সি-আই-ই ।
তাতে কী হলো?
ছাই! বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ত্বরিত জবাব।

বিদ্যাসাগর একদিন গ্রামের মেঠো পথ ধরে হাঁটছিলেন। পথিমধ্যে সমবয়সী একজন রসিকতা করে বললেন, পণ্ডিত মানুষ, আকাশের দিকে তাকিয়ে হাঁটছ। দেখো পায়ে আবার বিষ্ঠা না লাগে!
বিদ্যাসাগর রসিকতার জবাবে বললেন, এ গ্রামে বিষ্ঠা আসবে কোথেকে? এখানে তো দেখছি সবই গোবর।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একদিন ট্রেনে কোথায় যেন যাচ্ছিলেন। সহযাত্রী এক ইংরেজ যুবক বিদ্যাসাগরের বেশভূষা দেখে ভীষণ চটে গেল। বিদ্যাসাগর একসময় বাথরুমে গেলে সাহেব তার ময়লা চাদর জানালা দিয়ে ফেলে দিলেন। ফিরে এসে বিদ্যাসাগর চাদর খুঁজে না পেয়ে সবই বুঝলেন, কিন্তু কিছু বললেন না। কিছুক্ষণ পর ইংরেজ যুবক তাঁর কোটটি রেখে বাথরুমে গেলে বিদ্যাসাগরও একই কাজ করলেন। ফিরে এসে সাহেব নিজের কোটি যথাস্থানে দেখতে না পেয়ে বিদ্যাসাগরকে জিজ্ঞেস করলেন। হোয়ার ইজ মাই কোট?
বিদ্যাসাগর নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিলেন, ইওর কোটি হ্যাজ গান টু ব্ৰিং মাই চাদর।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর খদ্দরের চাদর পরতেন।শীত বা গ্রীষ্ম যাই হোক না কেন গায়ে শুধু চাদর আর কাঠের খড়ম পরেই সংস্কৃত কলেজে ক্লাস নিতে যেতেন। মাঘ মাসের শীতের সময় প্রতিদিন সকালে এভাবে ঈশ্বর চন্দ্রকে ক্লাস নিতে যেতে দেখে প্রায়ই হিন্দু কলেজের এক ইংরেজ সাহেব যাওয়ার পথে বিদ্যাসাগরকে ক্ষ্যাপানোর জন্য বলতেন, “কি হে,বিদ্যার সাগর, বিদ্যার ভারে বুঝি ঠান্ডা লাগে না তোমার?” বিদ্যাসাগর প্রতিদিন কথা শুনতেন, কিন্তু কিছু বলতেন না। একদিন শীতের সকালে ঠিক একইভাবে তিনি ক্লাস নিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আবার সেই ইংরেজের সাথে দেখা। আবার সেই একই প্রশ্ন। এবার সঙ্গে সঙ্গে ঈশ্বর চন্দ্র তার ট্যামর থেকে একটা কয়েন বের করে বললেন, ‘ এই যে গুজে রেখেছি, পয়সার গরমে আর ঠান্ডা লাগেনা। এবার হলো তো?’

এক বিয়ে বাড়িতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দেখা হয়ে গেল। বিদ্যাসাগরের পায়ে যথারীতি সেই তালতলার শুড়তোলা চটি। বঙ্কিমচন্দ্র তাই দেখে ঠাট্টা করে বললেন, মহাশয় আপনার চটির শুড় তো বেঁকে ক্রমশ ওপর দিকে উঠছে। শেষ পর্যন্ত আকাশে গিয়ে না ঠেকে!
কী আর করা যাবে বলো! জানোই তো, চটি যত পুরনো হয় ততই বঙ্কিম হয়ে উঠতে থাকে, বিদ্যাসাগর হাসতে হাসতে বললেন।

এক গরিব ব্ৰাহ্মণ বিদ্যাসাগরের কাছে সাহায্যের জন্য এসেছেন। আজ্ঞে আমি পাঠশালায় ছাত্র পড়াতাম। জমিদারের শয়তানিতে চাকরি গেছে। বড়ই দুরাবস্থায় আছি। বিদ্যাসাগর শুনেই বললেন, আপনার যে চাকরি থাকবে না তা দুরবস্থার আ-কার দেখেই বুঝতে পারছি।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের আর্থিক অনটনের সময় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাকে টাকাপয়সা দিয়ে সাহায্য করতেন। একদিন এক মাতাল বিদ্যাসাগরের কাছে সাহায্য চাইতে এলে তিনি স্পষ্ট বলে দিলেন, আমি কোনো মাতালকে সাহায্য করি না।মাতাল বললো, কিন্তু আপনি তো মধুসূদনকে সাহায্য করেন। তিনিও তো মদ্যপান করেন।বিদ্যাসাগর উত্তর দিলেন, ঠিক আছে, তুমি ওর মতো ‘মেঘনাদবধ’ কাব্য লিখে আনো। তোমাকেও সাহায্য করব।— বিদ্যাসাগর শর্ত জুড়ে দিলেন।

মায়ের ডাকে রাতের আঁধারে ঝঞ্ঝাবিক্ষুধ্ব দামোদর নদ সাঁতরেও পার হয়েছিলেন যে দামাল ছেলে ,সেই দামাল ছেলে একদিন ভারতবর্ষের ইতিহাস , সভ্যতার ইতিহাস লেখেন নতুন করে । বাংলা গদ্যের জনক ,সমাজ সংস্কারক সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, যিনি নিজের সবকিছুই মানুষের কল্যাণের জন্য অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন, পুরোনো জরাজীর্ণ সমাজকে ভেঙ্গে নতুন করে গড়ে তোলার আত্মপ্রত্যয়ে।

পুরুষশাসিত সমাজে প্রতিপদে, প্রতিনিয়ত নিগৃহীত নারীদের জীবন বদলাতে চেয়েছিলেন বিদ্যাসাগর। আর দশটা মানুষের মতো নারীদেরও যে বাঁচার অধিকার আছে, তারাও যে মানুষ- সেটা সমাজকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে নিরলস কাজ করে গেছেন এই মহান মানুষটি।

বিধবাকে দেই নি বিয়ে করার অধিকার , নিরামিষ খেয়ে জীবনের সব ভুলে চলে যাওয়ার পরিণতিকে মেনে নেন নি ভীষণ আধুনিক , মানবিক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তাই তো ক্ষোভ ঝরে তাঁর ‘ যে দেশের পুরুষের দয়া নাই ,ধর্ম নাই , ন্যায় -অন্যায় বিচার নাই হিতাহিত বোধ নাই ,সুবিবেচনা নাই … আর যেন সেদেশে অবলাজাতি জন্মগ্রহণ না করে ’। তিনি আর্তনাদ করেছিলেন , ‘ হা অবলাগণ ! তোমরা কি পাপে , ভারতবর্ষে আসিয়া জন্মগ্রহণ করিয়াছ ”

তিনি নারীকে রক্তমাংসের সজীব মানুষ হিসেবে দেখেছেন যার শরীর আছে , আছে সেই শরীরের আগুন থেকেও লেলিহান ক্ষুধা ।’ তাঁর কথায় ‘ তোমরা মনে করো , পতিবিয়োগ হইলেই স্ত্রীজাতির শরীর পাষাণময় হইয়া যায় , দুঃখ আর দুঃখ বলিয়া মনে হয় না , দুর্জয় রিপুবর্গ নির্মূল হইয়া যায় ?’ ঈশ্বরচন্দ্রের নারী সম্পূর্ণ তাঁর শুধু বেঁচে থাকার নয় জীবনের সম্পূর্ণতার কথা বলে ।

তৎকালীন নিষ্ঠুর পুরুষতান্ত্রিক রক্ষণশীল সমাজবাবস্থাকে মেনে না নিয়ে নারীকে প্রতিষ্ঠিত করার সুপরিকল্পনা বিধবা বিবাহ আইন প্রতিষ্ঠা করেই ক্ষান্ত হন নি , বহুবিবাহ রোধে নেন কার্যকর পদক্ষেপ ।এই লড়াই , আইন পাসের মাধ্যমে স্বীকৃতি বলে দেয় এই মহাপুরুষের কাছে সভ্যতা কত ঋণী ।

শিক্ষা দীক্ষায় অনগ্রসর জাতি যে কোনদিন মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না, বিদ্যাসাগর সর্বাগ্রে তা বুঝে নিয়েছিলেন। আর তাই শিক্ষার উন্নয়নে কেবল নিজের সর্বস্বই দান করেননি, তৎকালীন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য মহামতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হাতে থলি নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাঁদা তুলেছেন।

একবার অয়োধ্যের নওয়াবের কাছে চাঁদা চাইতে গেলে নবাব তাকে অপমান করে অত্যন্ত তাচ্ছিল্যের সঙ্গে, তার পায়ের জুতাজুড়া বিদ্যাসাগরের চাঁদার বেগে ঢুকিয়ে দেন। বিদ্যাসাগর বিন্দুমাত্র রাগ করেননি, ধন্যবাদ দিয়ে চলে আসেন। পরদিন তিনি নবাবের বাড়ির সামনেই তার জুতা বিক্রির অকশন শুরু করেন।

আমরা জানি
তুমিই ঈশ্বর ,
তুমিই চন্দ্র,
তুমিই বিদ্যাসাগর ।

আজ সেই মহামতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মানুষের দুনিয়ায় আগমনী দিন। পৃথিবীর আর কোন গুণী বা দার্শনিকের নামের পিছনে ‘বিদ্যার সাগর’ ‘Ocean of knowledge’ টাইটেল দেখি নাই। এটা ভেবেই আমি গর্বে আর সম্মানে অভিভূত হই যে একজন বাঙালি হিসাবে আমার রক্তে এই মহাপুরুষের ডিএনএ বহমান আছে!

তাই তোমার জন্মদিনই কি মৃত্যুদিনই কি , আজন্ম বুকে বয়ে চলবে তুমি চেতনার বাতিঘর হয়ে ।

শুভ জন্মদিন মুক্তির দূত।

ছবি: গুগল