শেষ দৃশ্যে মান্টো

মান্টো তাঁর দুই কন্যার স্কুল থেকে ফেরার সময় হলে বেদানা কেটে অপেক্ষা করতেন। নিজের হাতে তৈরী করতেন পাকোড়া। আশপাশের বাড়ির বাচ্চাদেরও ডেকে খাওয়াতেন। বেঁধে দিতেন স্ত্রী‘র বিনুনী, সাহায্য করতেন  কাপড় ইস্ত্রিতে। একটু অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? আসলেই সাদাত হাসান মান্টো ছিলেন এমনই এক মানুষ। কলমে যখন তাঁর আগুন ঝরছে,উন্মোচন ঘটছে মানবজীবনের অন্য এক অন্দরমহলের তখন এ যেন এক অন্য মান্টোর ছবি। ভালোবাসায়, স্নেহে জড়িয়ে থাকা ভিন্ন মানুষের গল্প, অন্য কলমে লেখা।  

সাদাত হাসান মান্টো। উর্দূ সাহিত্যের এক অসাধারণ পুরুষ। জন্মগ্রহণ করেছিলেনৈ ১৯১২ সালে অবিভক্ত ভারতবর্ষের পাঞ্জাব প্রদেশের লুধিয়ানা প্রদেশ থেকে প্রায় ২২ মাইল দূরে সমব্রালা নামে একটি গ্রামে। পিতা খাজা গুলাম হাসান পাঞ্জাব সরকারের মুন্সেফ ছিলেন। পরে সাব জজও হয়েছিলেন। তখনকার রীতি অনুযায়ী গুলাম হাসান দুটি বিয়ে করেছিলেন। মান্টো ছিলেন পিতার দ্বিতীয় স্ত্রী সর্দার বেগমের সন্তান। ছেলেবেলা থেকেই দুই মায়ের সংসারে বড় হয়ে ওঠা মান্টোর চেতনায় ক্রমশ ডালপালা মেলেছিলো শিকড়হীনতার বীজ, যা পরবর্তী সময়ে মহীরুহের আকার ধারণ করে তাঁর জীবনের গতিপথ নির্ধারণ করে দিয়েছিলো।

জীবনের শেষ অধ্যায়ে মান্টো মদ্যপানে আসক্ত। হতাশায় ক্ষতবিক্ষত, ভেঙ্গে পড়া এক মানুষ। কিন্তু তার হাতের কলম কখনো থামেনি। আসক্তি তার শরীর আর মনকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলো নিজের কবরের দিকে। কিন্তু তখনও তিনি লিখে চলেছেন অসাধারণ সব গল্প। তাঁর মৃত্যুর ৬৩ বছর পরেও সেসব গল্প আজো সমকালীন হয়ে আছে সাহিত্যে।

সাহিত্যের সেই আলোচিত এবং সমালোচিত মানুষটিকে নিয়েই এবারের প্রাণের বাংলার প্রচ্ছদ আয়োজনে রইলো ‘শেষ দৃশ্যে মান্টো’।

সাদাত হাসান মান্টো

শীতের কুয়াশায় মুখ আড়াল করা এক ভোর। সময়টা ১৯৫৫ সালের ১৮ জানুয়ারী। পাকিস্তানের লাহোর শহরের হল রোডের বাড়িতে পৃথিবীকে চিরবিদায় জানান মান্টো।পেছনে রেখে যান স্ত্রী সাফিয়া ও তিন কন্যা নিঘাত, নুজহাত ও নুসরাতকে। মান্টোর মতো কথাসাহিত্যিক বেশ অসময়েই বিদায় নিয়েছিলেন। নিজের ৪২ বছরের আগে মাত্র কথাটা বসিয়ে রেখে তিনি পার্থিব নশ্বরতাকে তুচ্ছ জ্ঞান করে পর্দা নামিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন মঞ্চ থেকে। এই বিদায়ের মঞ্চ তৈরী হয়েছিলো বেশ কয়েক বছর ধরেই। মান্টোর মেজ মেয়ে নুজহাত বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সম্প্রতি বলেছেন, ‘বাবা আমাকে ছোটবেলায় ‘জুজিয়াজি’ বলে ডাকতেন। তিনি আমাদের আম্মিজানকে বলতেন তিনি এতোকিছু লিখেছেন যে বাকী জীবন মা আর আমাদের কোনো কষ্ট হবে না। কিন্তু বাস্তবতা ছিলো একেবারেই ভিন্ন এবং রুঢ়। তাঁর প্রকাশকরা প্রয়োজনের মুহূর্তেও তাকে রয়্যালটির টাকাটাও দেয়নি’।

ভাবনা আর বাস্তবতার এই বৈপরীত্য মান্টোর জীবনকেও জটিল করে তুলেছিলো। তৈরী করেছিলো এক ধরণের গভীর হতাশা। আর সেই হতাশাকে আড়াল করতেই হয়তো মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

নুজহাতের কাছে সবসময়ই মনে হয় বাবা তার মধ্যেই নিজের ছায়াটা দেখতে পেতেন। তাদের তিন বোন-ই বাবার এক ধরণের গভীর ভালোবাসা পেয়েছিলেন। কিন্তু পানাসক্ত পিতার অসময়ে বিদায় নেয়াটাকে আজো মেনে নিতে পারেননি মান্টো-কন্যা। তার কাছে সব সময়ই মনে হয় নিজেকে এক আত্নঘাতী প্রবণতার দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন তাদের পিতা।

পিতার প্রস্থান তাদের শৈশব থেকেই এক ধরণের শূন্যতা তৈরী করে দিয়েছিলো। বাবার মৃত্যুর ৬৩ বছর পরেও নুজহাতের কাছে বাবার বিরুদ্ধে এই একটাই অভিযোগ-বাবা কেনো চলে গেলেন এভাবে?

স্কুলে উর্দুভাষার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় চতুর্থবারের চেষ্টায় ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। যক্ষায় আক্রান্ত হওয়ায় আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বিতাড়িত হতে হয়েছিলো তাঁকে। শিক্ষা জীবন মান্টোকে শেখাতে পারেনি। কিন্তু পৃথিবীর পাঠশালা তাঁকে জানিয়েছিলো অনেক কিছু।

দুই কন্যা কোলে মান্টো

সাদাত হাসান মান্টোর বড় মেয়ে নিঘাত এখন বসবাস করেন লাহোরে। বাবার স্মৃতিমাখা জীবনের পৃষ্ঠাগুলোতে সেইসব সকালবেলার স্মৃতি বড় উজ্জ্বল হয়ে আছে। তিন বোন ঘুম ভেঙ্গেই ঝাঁপিয়ে পড়তেন বাবার উপর। মান্টোর পেটের উপরে বসেই ছিলো তাদের রাজ্যের যতো খেলা। বিছানায় শুয়ে শুয়েই বাবাও তাদের সঙ্গে খেলতেন কতরকম খেলা। গল্প বলে যেতেন অনর্গল।

স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কটা কেমন ছিলো এই কথা সাহিত্যিকের? কন্যার ভাষায়, ‘আমাদের মা ছিলেন খুব সাদামাটা একজন মানুষ। বাবা ছিলেন তাঁর ভীরু প্রেমিক। মায়ের কাপড় ইস্ত্রি করে দিতেন বাবা, হাত লাগাতেন ঘরকন্নার কাজেও। আর কী যে ভালো তৈরী করতেন গরম গরম পাকোড়া’।

জাকিয়া হামিদ জালাল ছিলেন মান্টোর শ্যালিকা। সুমধুর সম্পর্ক ছিলো তাদের মধ্যে। মান্টো নাকি মাঝে মাঝে শ্যালিকাকে বলতেন তাঁর বাড়িটায় অর্ধেক ভাগ আছে জাকিয়ার। তবে সঙ্গে সঙ্গে টিপ্পনির মতো কথা জুড়ে দিয়ে বলতেন, শ্যালিকারা এই অধিকার চর্চা করলে তাঁকে ফুটপাতে গিয়ে দাঁড়াতে হতো।

লাহোরের বাড়িতে ছোট মেয়েকে নিয়ে মান্টো

মৃতপুত্রের জন্য শোক এক ডুবো পাহাড় হয়ে ছিলো মান্টোর বুকের গভীরে।মান্টো দম্পতির প্রথম সন্তান অরিফ মারা গিয়েছিলো ১৯৪০ সালের শুরুতে। মাত্র এক বছর বেঁচে ছিলো তাদের সন্তান। তখন তারা বসবাস করেন দিল্লীতে। সন্তানের এই বিচ্ছেদ মান্টোকে যেন ছিঁড়েখুড়ে খেয়েছিলো। যন্ত্রণা তাকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছিলো বিখ্যাত গল্প ‘খালেদ মিয়া’। আরিফের চলে যাওয়ার গল্প উঠে এসেছে ‘খালেদ মিয়া’ গল্পের কাহিনিতে।

পুত্রশোক পাথরচাপা দিয়ে রেখেছিলো তাদের মাকে-ও। নিঘাত বলেছেন, ‘তাদের মা কোনোদিন তাদের প্রয়াত ভাইকে নিয়ে কথা বলতেন না। প্রসঙ্গ উঠলেই একেবারে নীরব হয়ে যেতেন তিনি। নিজের বেদনাকে কারো সঙ্গে ভাগ করতে চাইতেন না।’

সাদাত হাসান মান্টো ১৯৪৮ সালে ভারত ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন পকিস্তানে। তখন তাঁর স্ত্রীর গর্ভে দ্বিতীয় সন্তান আসতে চলেছে। কিন্তু লাহোরের জীবন শেষ পর্যন্ত মান্টোকে স্বস্তি দেয়নি। লেখার কাজের অভাব তীব্র। তৎকালীন বম্বের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে স্ক্রিপ্ট লিখে আয় করতেন মান্টো। পত্রিকার সম্পাদনা থেকে শুরু করে অল ইন্ডিয়া রেডিওর নাট্যকার ও ফিচার লিখিয়ের কাজ, বম্বে ও পুনার চলচ্চিত্র পাড়ায় চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখার কাজ আর তারই মাঝে সাহিত্য রচনা। দেশভাগের পর হিন্দু মৌলবাদীদের হুমকীর মুখে ভারত ছেড়ে পাকিস্তানে চলে যান তিনি। ‍কিন্তু লাহোরে এসে বিপদেই পড়ে গেলেন। দেশভাগের পর সেখানকার ফিল্মপাড়া তখন নিভু নিভু। বড় প্রযোজকরা অনেকেই চলে গেছে ভারতে। সদ্য ভাগ হওয়া দুটি দেশেই বিরাজ করছিলো অস্থিরতা। কাজ পাচ্ছিলেন না মান্টো। রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছিলো রোজগারের পথ। বইয়ের প্রকাশকরাও তাঁর মতো ‘বিতর্কিত’ লেখকের বই প্রকাশ করার ব্যাপারে ছিলো দোলাচলে। হতাশায় ঘেরাও হয়ে যাওয়া মান্টো তখনই আকড়ে ধরেছিলেন মদ। অপরিমিত সুরাপান কিন্তু মান্টোর লেখাকে ব্যাহত করতে পারেনি। সেই অস্থিরতার মাঝে বসেও তিনি লিখে চলেছিলেন অবিশ্রান্ত। জন্ম দিচ্ছিলেন অসাধারণ সব গল্পের যা মুখোশ খুলে দিচ্ছিল সমাজের। উন্মোচিত করছিলো শোষণ আর বঞ্চনার আসল চেহারা।

তিরিশের দশকে আন্দোলনে উত্তাল ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলো মার্কসবাদী দর্শন। সেই সময়ে মান্টো সাম্রাজ্যবাদ ও মৌলবাদ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে পায়ে পা মেলান। তখনই পরিচয় ঘটে বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী বারি আলিগ সাহেবের সঙ্গে। সেই মানুষটির অনুপ্রেরণায় তারই সম্পাদনায় তখন প্রকাশিত ‘মুসাওয়াত’(সাম্য) নামে পত্রিকায় মান্টোর লেখালেখি জীবনের সূচনা। সেই পত্রিকাতেই প্রথম ছদ্মনামে তাঁর গল্প ‘তামাশা’ প্রকাশিত হয়।

মান্টো পরবর্তীকালে লিখেছেন,‘আজ আমি যা, তার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রথম নামটি আলিগ সাহেবের। অমৃতসরে তিন মাস ওঁর সাহচার্য না পেলে আমি অন্য রাস্তায় হাঁটতাম।’ দেশভাগ, রাজনীতির ছদ্ম খেলা আর ধর্মের আবরণে দাঙ্গা নিয়ে লেখা তাঁর গল্প এখনো জমে থাকা আঁধারে আলো দেখায়।

‘সেই অস্থির সময়ে বাবার বিরুদ্ধে বহু লেখক এককাট্টা হয়েছিলেন। ‘প্রগতিশীল লেখক আন্দোলনের সদস্যরাও তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো। বাবা চারদিক থেকে কোনঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর বেশকিছু গল্প অশ্লীলতার দায়ে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিলো। মামলা আর প্রতিপক্ষের আক্রমণে জীবন তার কাছে হয়ে উঠেছিলো নরক। ক্ষতবিক্ষত মান্টো হয়তো আশ্রয় চেয়েছিলেন সোমরসের কাছেই।’ মান্টোর জীবনের শেষ সময়টাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করেছেন তাঁর বড় মেয়ে নিঘাত।

মান্টোর পানাসক্তির সুযোগ নিয়েছিলেন অনেক প্রকাশক। খুব সামান্য টাকায় তাঁকে দিয়ে স্বাক্ষর করাচ্ছিলেন নতুন বইয়ের চুক্তিপত্র। পত্রিকাগুলো লেখা ছেপে হাতে তুলে দিচ্ছিলো সামান্য কিছু পরিশ্রমিক।

মান্টোর ভ্রাতষ্পুত্র হামিদ জালাল চাচার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেছেন, মদের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে একেক সময় পাগল হয়ে যেতেন মান্টো। সময়টা ১৯৫০ সাল। সংসারের খরচ আর মদ্যপানের টাকা জোগাড় করতে অস্থির মান্টো হাত পাততে শুরু করেন। আত্নীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী, পরিচিত, অপরিচিত এমন কেউ বাকী ছিলো না যাদের কাছে টাকা ধার করতে হাত পাতেননি মান্টো। হামিদ জালালের স্মৃতিচারণায় জানা যায়, মান্টো তার সঙ্গে দেখা করতে আসা ভক্ত পাঠকদের কাছেও টাকা চাইতেন।

বড় মেয়ে নিঘাত টাইফয়েডে আক্রান্ত। ওষুধ কিনতে বের হয়েছেন মান্টো। হাতে সামান্য কয়েকটা টাকা। ওষুধের দোকানে ঢোকার বদলে চলে গেলেন শুঁড়িখানায়। এক বোতল মদ কিনে শূন্য হাতে নামলেন পথে।এর পরের দৃশ্য আরো করুণ, অন্ধকার ছোঁয়া। নিজের বাড়িতে অসুস্থ কন্যার শয্যার পাশে মাথা নিচু করে বসে আছেন মান্টো। মাথার লম্বা চুল উড়ে এসে জুড়ে বসেছে মুখে। বসে থেকে জ্বরে প্রায় অচেতন কন্যার মাথা তুলে নিতে চাইলেন নিজের কোলে। এবার বাধা দিলেন স্ত্রী। প্রায় জোর করে ধরে সরিয়ে দিতে চাইলেন মান্টোকে। মুখ তুলে তাকালেন লেখক অথবা পিতা। বড় অসহায় সে দৃষ্টি। যন্ত্রণায় প্রায় অস্ত্বিহীন।

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়েছিলেন মান্টো। একদিকে অভাব অন্যদিকে অসক্তি। তবু জীবনের দায় মেটাতে অস্থির সাদাত হাসান মান্টো। জীবনের সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ের কথা বলতে গিয়ে মেজ মেয়ে নুজহাত বলেন, ‘সেই সময়ে আব্বা দিন দিন নিজের ওপরেই নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছিলেন। আর আম্মি আমাদের তিনজনকে আরো বেশ আঁকড়ে ধরছিলেন। হতাশা তাকেও ছিন্নভিন্ন করছিলো বর্শার ফলার মতো। সেই হতাশা থেকে বাঁচতে আমরাই হয়ে উঠেছিলাম আম্মির আশ্রয়।’

কবি গালিবকে নিয়ে সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছিলেন মান্টো। তিনি চলে যাওয়ার পর সেই ছবি পুরস্কার পেয়েছিলো। খবরটা আর জানা হয়নি। জানা হয়নি নিজের মৃত্যুর এতো বছর পরেও সাহিত্যে তাঁর লেখা আজো এতো প্রাসঙ্গিক হয়ে থাকবে। মান্টো একবার গালিবের একটি কবিতার লাইন উদ্ধৃত করে নিজের লেখার শিরোনাম করেছিলেন- ‘কুছ নহী হ্যায় তো আদাওত হি সহী’, কিছু না থাকলে শত্রুতাই থাক-নিজের জীবনের কথাই এক লাইনে বলে ফেলেছিলেন লেখক? কিন্তু সাদাত হাসান মান্টোর সঙ্গে কি শত্রুতা করা যায়! তাঁর লেখা আমাদের উপমহাদেশীয় রাজনীতি, সমাজ আর আর ধর্মের ভণ্ডামির গাঢ় কুয়াশাকে তছনছ করে দিয়েছিলো ভোরের আলোর মতো শব্দরাজি দিয়ে।

ইরাজ আহমেদ

তথ্যসূত্র ও ছবিঃ মিন্ট পত্রিকা, সাদাত হাসান মান্টোর গল্প, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস