সবুরে শুধু মেওয়া নয় জীবন ও ফলে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শিল্পী কনকনকচাঁপা কচাঁপা এবার গানের পাশাপাশি প্রাণের বাংলার পাতায় নিয়মিত লিখছেন তার জীবনের কথা। কাটাঘুড়ির মতো কিছুটা আনমনা সেসব কথা, হয়তো কিছুটা অভিমানিও। কিছুটা রৌদ্রের মতো, খানিকটা উজ্জ্বল হাসির মতো।

আগেই বলেছি বুলবুল ভাই যখন রেগুলার গাওয়াচ্ছিলেন তখন অন্যান্য সুরকারও গান গাওয়াতে শুরু করলেন। কিন্তু নতুন হিসেবেই আমাকে পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। শ্রদ্ধেয় সুরকার আনোয়ার পারভেজ ডাকলেন গান গাইতে। গানটি ছিলো ‘মনেরই অজান্তে হৃদয়ের প্রান্তে’ হিন্দি গানের সুরের গান।গান গাইছি গাইছি, পারভেজ ভাই গাওয়াচ্ছেন গাওয়াচ্ছেন। গানের টেক আর ওকে হয়না। সও সাল প্যাহলে মুঝে তুমসে পেয়ার হ্যায় এই গান তো মায়ের কোলে বসেই মুখস্থ করেছিলাম।গান একেকবার একেক ঢংয়ে গাইতে বলছেন। গাইছি কিন্তু কারোই মনপুত হয়না।হেডফোন কানে নিয়েই রেকর্ডিং বুথে প্রডিউসার বলছেন এই গান কি জাতীয় সংগীত যে শিল্পী এমনে গায়! প্রাণ কই প্রেম কই? আমি খুবই অপমানিত হয়েও শান্ত হয়ে থাকলাম। আমি জানি বায়না মতই আমি গেয়েছি কিন্তু এগুলো আমার পরীক্ষা। আমাকে অবস্থান নিতে হলে আরও মজবুত হতে হবে।নিজের অবস্থান তৈরি আমার নিজেকেই করতে হবে।এরপর আবু তাহের ভাইয়ের একটি গান গাইতে ঠিক এমনই অভিজ্ঞতা হলো। কতবার যে টেক করানো হলো। সবাই নীরব, গানের কোন দোষ নেই কিন্তু মনপুত ও হয়না। কয়দিন পর শুনি সেই গান অন্য কেউ গেয়েছে।এভাবে অনেক কষ্টকর অভিজ্ঞতাই আমার আছে।কিন্তু আমার জীবনসঙ্গী আমাকে মানসিক সাহায্য করেছেন প্রতি পদে পদে পলে পলে।কখনও বলেননি এই অবস্থা হলে চলবে কিভাবে বা এই জগৎ ছেড়েই চলে যাই।সবসময়ই বলেছেন এগুলো পরীক্ষা, দিয়ে যাও। একদিন আর পরীক্ষা দিতে হবে না।আমি তাঁর কথামতই চলেছি। এবং ধৈর্য ধরে একাগ্রতা নিয়ে সাধনা করে আমি আমার কাক্ষিত পথ খুঁজে পেয়েছি।

ছবি: লেখকের ফেইসবুক থেকে

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]