স্পার্টাকাসের দ্বিতীয় মৃত্যু

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অভিনেতা ছিলেন হলিউডের, পর্দা কাঁপানো যাকে বলে। আমরা কিন্তু তাকে স্পার্টাকাস বলেই চিনতাম। ১৯৬০ সালে মুক্তি পাওয়া সেই অসাধারণ সিনেমা ‘স্পার্টাকাস’-এ অভিনয় করে বিখ্যাত হয়েছিলেন তিনি। পর্দায় তাঁর সেই অসাধারণ দৃশ্য যেখানে বিদ্রোহী দাসদের সবাই বলছে, ‘আই অ্যাম স্পার্টাকাস, আই অ্যাম স্পার্টাকাস’…সিনেমাপ্রেমী মানুষ ভুলতে পারেননি আজও। অভিনেতা কার্ক ডগলাস পৃথিবীকে বিদায় জানালেন  ১০৩ বছর বয়সে। দ্বিতীয়বার মৃত্যু ঘটলো স্পার্টাকাসের।

কার্ক ডগলাসের বাবা জন্ম নিয়েছিলেন রুশদেশে। ডগলাসের জন্ম নিউইয়র্কে। সেখানকার ব্রডওয়েতে ক্যারিয়ারের শুরু হলেও ১৯৪৯ সালে ‘রেইজিং বুল’ ছবিতে অভিনয় করে পেয়ে যান তিন তিনটি অস্কার মনোনয়ন। এই সিনেমায় কার্ক ডগলাস অভিনয় করেন এক মুষ্টিযোদ্ধার চরিত্রে। ১৯৫১ সালে ‘ডিটেকটিভ স্টোরি’ সিনেমায় এক ভয়ংকর পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করে পাল্টে নেন তিনি নিজের অভিনয়ের ধরণ। এরপর বহু ছবিতে কখনো নায়ক আবার কখনো খল নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন এই কুশলী অভিনেতা।

বিখ্যাত পরিচালক চার্লস কুবরিকের ‘পাথস অফ গ্লোরী’ ছবিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক কর্ণেলের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। ১৯৫২ সালে তাঁর অভিনীত ‘এইস ইন দ্য হোল’ ছবিতে সাংবাদিকের চরিত্রটি খুব দ্রুত হয়ে উঠে মিডিয়ায় খবরের বিষয়।

প্রয়াত কার্ক ডগলাসের ছেলে মাইকেল ডগলাসও হলিউডে সুঅভিনেতা হিসেবেই পরিচিত। গতকাল পিপল ম্যাগাজিনের কাছে প্রথম বাবার মৃত্যু সংবাদটি তিনিই প্রকাশ করেন।

তবে যত ছবিতেই কার্ক ডগলাস অভিনয় করুন না কেন তাঁর ‘স্পার্টাকাস’ রয়ে যাবে মানুষের মনে। হলিউডের স্বর্ণযুগের এই অভিনেতার স্পার্টাকাস হিসেবেই একটি ইমেজ গড়ে উঠেছিলো। পৃথিবীর সিনেমার দর্শকরা তাঁর মৃত্যুতে হারিয়ে ফেললো লোককাহিনীর সেই বিদ্রোহী নায়ককে।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক

তথ্যসূত্র ও ছবিঃ দ্য গার্ডিয়ান

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]