১৯৭১

omi

ওমি রহমান পিয়াল

ওমি রহমান পিয়াল সাংবাদিক ও ব্লগার। যুদ্ধোপরাধীদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম নেতাদের একজন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জন্মযুদ্ধ-৭১ নামে একটি ওয়েব পেজ পরিচালনা করছেন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনাবলী, অজানা ইতিহাস ও তথ্য সেখানে প্রকাশিত হয়।  ওমি রহমান পিয়ালের এই লেখাটিও মুক্তিযুদ্ধের তেমনি এক অজানা অধ্যায় নিয়ে রচিত।
অবরুদ্ধ তৎকালীন ঢাকা শহর থেকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কয়েকজন জেনারেল, তাদের পরিবার এবং বিদেশী নাগরিকদের পালিয়ে যাওয়ার নাটকীয় উদ্যোগ এবং আমাদের পাশের দেশ বার্মায় তাদের আশ্রয় নেয়ার কাহিনি পিয়াল লিখেছেন তার লেখায়।

সালিকের লেখায় আমরা মাত্র তিনটি হেলিকপ্টারের কথা জানতে পারি, যা আসলে সত্যি নয়। এর তিনগুনেরও বেশী আমরা শুনি লে. জেনারেল আলী কুলী খানের মুখে। তার গোটা সাক্ষাতকারটি হাস্যকর বাগাড়ম্বরে ভরপুর। গোটা মুক্তিযুদ্ধে কোথাও মুক্তিবাহিনী বা মিত্র বাহিনী পাকিস্তানী কোনো ডিফেন্স পেরোতে পারেনি এই দাবি করে তিনি অহেতুক আত্মসমর্পনের দায় চাপিয়েছেন নিয়াজীর কাঁধে। ভারতীয় বাহিনীর হাতে সব যুদ্ধাস্ত্র ও বিমান ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে বার্মা অভিযানে অধিনায়ককে রাজী করার কথা জানিয়েছেন কুলী। তার মতে দ্বিতীয় হেলিকপ্টারে আকিয়াবে তিনি প্রথম পৌছেছেন। সেখানে বার্মিজ নিরাপত্তারক্ষীরা তাকেই প্রথম জেরা করে। নিরাপত্তারক্ষী তাকে উর্দূতেই জিজ্ঞেস করে পরিচয়! তিনি মুসলমান তা জানার পর নিজের পরিচয় দেয় মুস্তফা কামাল বলে। এরপর তাদের বার্মা অয়েলের রেস্টহাউজে রাখা হয়-ইত্যাদি ইত্যাদি যা এ বিষয়ে মুখ খোলা কারো বক্তব্যের সঙ্গে মেলেনি। হেলিকপ্টারের সংখ্যা তার হিসেবে ১০টি। তার সঙ্গে আরো ৭টি এবং পরে দুটো। কুলী খান বলেছেন : My helicopter was the second to take off but for some reason tdce1971_4he first to arrive at Akyab Burma. We had planned to arrive at Akyab by “first light” and once we identified Akyab we flew over the sea to drop our weapons and other belongings by which we could have been identified as military personnel. I was also the first person to encounter the Burmese military guard of Akyab. Quite surprisingly, he spoke Urdu and asked me if I was a Pakistani, and whether I was armed or not? He then asked me if I was a Muslim and upon getting a reply in the affirmative said “Assalam O Alaikum, I am also a Muslim and my name is Mustafa Kamal” In a short while seven other helicopters also arrived and soon there were approximately 170 Pakistan women and children and Army Aviators milling around the Akyab Terminal which usually received only one aircraft a day! Our Burmese hosts were most understanding and they lodged us in a Burma Oil Company Rest House. The women and children2 were flown out to Rangoon within three days and then to Pakistan within 7-10 days.

আত্মসমর্পনের ঘণ্টাকয়েক আগে (দুপুর একটা) যে দুটো হেলিকপ্টার ঢাকা ছেড়েছে তার একটির পাইলট ছিলেন মেজর মাসুদ আনোয়ার । তার হিসেবে হেলিকপ্টার ৬টি। মাসুদের ভাষ্য : Out of total of six helicopters three MI8 Russian made helicopters and three Alloutte-III French helicopters stationed in Dacca, two Alloutte helicopters remained in Dacca on the morning of December 16. Other had flown across to Akyab in neighbouring Burma in the quiet hours of night 15/16 December 1971. We were fortunate that besides helicopters pilots and engineers, many women and children who could not leave Dacca earlier, were rescued from what could have been long drawn suffering for them.(চলবে)