২৯ বছর বয়সে বুকার পুরস্কার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মাত্র ২৯ বছর বয়সে বুকার পুরস্কার পেলেন এক ডাচ তরুণী। মাতৃভাষায় লেখা উপন্যাস ‘‌দ্য ডিসকমফর্ট অফ ইভিনিং’‌– এর জন্য তাঁকে দেওয়া হলো এই সম্মান। তিনি-ই বিশ্বের তরুণতম লেখক হিসেবে বুকার পেলেন।
মারিকে লুকাস রাইনেভেল্ড। নেদারল্যান্ডসের কোনো লেখক হিসেবে তিনি এই প্রথম উপন্যাস লিখে এই পুরস্কার পেলেন। অনুবাদক মাইকেল হাচিসন এই বইটির ইংরেজিতে তর্জমা করেছেন। বুকার পুরস্কারের অংশীদার তিনিও। রাইনেভেল্ড ও হ্যাচিসনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ৫০ হাজার ইউরো। ২০১৮ সালে ডাচ ভাষায় এই উপন্যাসটি প্রকাশ পায়।
উপন্যাসের কাহিনির কেন্দ্রীয় চরিত্র রয়েছে দশ বছরের বালিকা, জ্যাস। তার পরিবার গোড়া ক্রিস্টান। ভাই ম্যাথিস আইস স্কেটিংয়ে নিয়ে যায়নি বলে তার ওপর রাগ করে। বলে, তার খরগোশটি মরে যাওয়ার থেকে তার ভাই মরে যাওয়া ভাল। তার কথা ফলেও যায়। এক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ম্যাথিসের। শোকে পাগল হয়ে যান বাবা–মা। তার পরে জ্যাসের মনের মধ্যে কল্পনার জগত তৈরি হয়।
মারিকে লুকাসও এক ক্রিস্টান পরিবারে জন্মেছিলেন। তাঁদের গ্রামে ধর্মীয় গোড়ামি ছিলো।  জ্যাসের মতোই দশ বছর বয়সে তাঁর দাদা মারা যান। এই উপন্যাসে এই যন্ত্রণার কথাই তুলে ধরেছেন তিনি। আগে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘‌গরুরা আমার বন্ধু। এখানে কাজ করতে ভালো লাগে। মনে হয়, মাটির কাছাকাছি রয়েছি। গোবর সরিয়ে গোয়ালঘর ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করতে ভালো লাগে।’‌
এ বছর বুকারের জন্য ৩০ টি ভাষার মোট ১২৪ টি বই বেছে নেওয়া হয়েছিলো। ইয়োকো ওগাওয়াজের ‘‌দ্য মেমরি পোলিস’, শুকুফে আজারের ‘দ্য এনলাইনমেন্ট অফ দ্য গ্রিনেজ ট্রি’–এর মতো উপন্যাসকে হারিয়ে রাইনেভেল্ড এই পুরস্কার জিতে নিলেন।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক

তথ্যসূত্রঃ বিবিসি

ছবিঃ গুগল‌‌

প্রাণের বাংলায় প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। লেখা সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় প্রাণের বাংলা বহন করবে না। প্রাণের বাংলার কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন । লেখা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ অথবা নতুন লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন [email protected]