জয়ে সমতা

আহসান শামীম

৩৬ রানে ওয়েষ্ট উইন্ডিজকে দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি হারিয়ে সিরিজ সমতা রক্ষা করলো বাংলাদেশ।জিততে হলে মিরপুরে রেকর্ড করতে হতো কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের দলকে।মিরপুর মাঠে ২১১ রান টি-টুয়েন্টির সর্বোচ্চ রান। রেকর্ডটা গড়ার পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাড়ালেন বাংলাদেশের টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক জ্বর নিয়ে খেলতে নামা, ম্যাচ সেরা সাকিবের অলরাউন্ডার পারর্ফমেন্স।৪ ওভার বল করে ২১ রানে টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা বল করে প্রথম বারের মত ৫ উইকেট তুলে নিলেন সাকিব।

ওয়েষ্ট উইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেটে টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে লজ্জার হারে পরে, আজ সিরিজ সমতা রক্ষার ম্যাচে মিরপুরে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক কার্লোস ব্রাফেট বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন।ব্যাট হাতে বাংলাদেশর ওপেনার একবার জীবন পাওয়ার পরও ১৬  বলে ১৫ রানেই সাজঘরে।সৌম্য তিরিশের কোঠা পার হয়েই আউট, মুশফিক ৩ বলে ১ রানে সাজঘরে। দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পরও লিটন দাসের দ্রুত ৩৪ বলে ৬০ রান আর শেষ সাত ওভারে  সাকিব, মাহামুদুল্লাহ জুটির ৯১ রান বাংলাদেশের টি-টুয়েন্টি ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১১/৪ রানে ইনিংস শেষ করেন।সাকিব ২৬ বলে ৪২ আর রিয়াদ ২১ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন।এই বছরের মার্চে শ্রীলংকার বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ২১৫ রান করেছিল।
জয়ের জন্য সফরকারী উইন্ডিজদের লক্ষ্য গিয়ে দাঁড়ায় ২১২ রান।জবাবে খেলতে নেমে উইন্ডিজ ৪ বল হাতে রেখে সব উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান সংগ্রহ করে। আর এতে বাংলাদেশ ৩৬ রানের জয় পায়।মুস্তাফিজ প্রথম ওভারে ২৪ রান দিলেও পররর্তী ৩ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট তুলে বাংলাদেশকে শঙ্কামুক্ত করেন মুস্তাফিজ।
সাকিবের ৫ উইকেট প্রাপ্তির পর তিনি পাকিস্তানের স্পিনার সাইদ আজমলের পাশে উঠে এসেছেন। সিরিজের আজ দ্বিতীয় ম্যাচ আগে আন্তর্জাতিক টি টুয়েন্টিতে সাকিবের উইকেট সংখ্যা ছিলো ৮০।পাকিস্তানি সাইদ আজমলের টি-টুয়েন্টি উইকেটের সংখ্যাও ৮৫।পাকিস্তানের আজমল,গুলের পর বাংলাদেশর সাকিবের উইকেট সংখ্যা সমান হলেও ম্যাচ সংখ্যা আর রানের গড়ের দিক থেকে এগিয়ে থাকায় তৃতীয়তে অবস্থান পেস তারকা গুলের।ওয়েষ্ট উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে সাকিব ১ উইকেট পেলেই তৃতীয় স্থানে উঠে যাবেন।এদিকে টি-টুয়েন্টির  সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির শীর্ষে আছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। মোট ৯৯ আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে ৯৮ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।আফ্রিদির পর দ্বিতীয়তে অবস্থানে শ্রীলঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। ৬৯ ম্যাচে মোট ৯৮ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
ছবিঃ গুগল