নো কিস

সত্তরের দশকে একবার সুচিত্রা সেন নিজের গালে ‘নো কিস’ লিখে ছবি তুলেছিলেন। পত্রিকায় ছাপা হওয়ার পর সেই ছবি নিয়ে মহা তোলপাড় হয়েছিলো কলকাতায়। তখন তাঁর সেই সাবধান বার্তা একুশ শতকে এক আশঙ্কা হয়ে ফিরে এলো। এবার আদরের চুম্বনে লাগাম পড়তে চলেছে। গবেষকরা বলছেন, একটি চুম্বন নাকি ধূমপানের চাইতেই বেশী ক্ষতি করতে পারে মানবদেহের।  তারা জানাছেন, চুম্বনের জন্য মাথা ও ঘাড়ে ক্যানসার হওয়া সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় গবেষকেরা দেখেছেন, চুমু খেতে মত্ত যুগলের দেহের মধ্যে এইচপিভি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে ফ্রেঞ্চ কিসের ক্ষেত্রে আরও বেশি ভাইরাস ছড়িয়ে পরতে পারে। এই এইচপিভি ভাইরাস এইচআইভি ভাইরাসেরই সমগোত্রীয়। আমেরিকায় প্রচুর তরুণ, তরুণী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয় প্রতি বছর। অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মাহিব থমাস জানিয়েছেন, ‘‌সঙ্গমের সময় বেশি চুম্বন করে থাকে যুগলেরা, এর থেকেই এইচপিভি দুজনের মধ্যে স্থানান্তরিত হাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।’‌
সাধারণ মানুষদের থেকে এইচপিভি আক্রান্তদের বেশি ক্যানসার হাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষজ্ঞরা এইচপিভিকে সাধারণভাবে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের (জরায়ু মুখের ক্যান্সার) সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বলে জানিয়েছেন। এই ভাইরাসের প্রভাবে নারী-পুরুষ উভয়ই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

এতোদিন ডাক্তারদের পরামর্শ ছিলো চুম্বন স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী। কেউ কেউ মত প্রকাশ করেছিলেন, চুমুতে মানুষের মানসিক সংকটও কেটে যায়। কিন্তু এখন তাদের গবেষণা বলছে উল্টো কথা। চুমুর বিপদ নিয়েও এখন ভাবতে হবে চুম্বনে আগ্রহীদের।

প্রাণের বাংলা ডেস্ক

তথ্যসূত্রঃ চব্বিশ ঘন্টা নিউজ, কলকাতা

ছবিঃ গুগল