ক্ষতবিক্ষত শ্রীলঙ্কা জিতলো অবশেষে

আহসান শামীম

জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৯৯ রানের জয়ের টার্গেট ৫.১ ওভারে হাতে রেখেই ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম জয় পেল হাথুরার শ্রীলংকা। যদিও ফাইনালে খেলতে হলে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই দলের যে কোন দলকেই জিতে হবে।

শুধু ত্রিদেশীয় সিরিজ না, হ্যামস্ট্রিং ইঞ্জুরির কারণে লঙ্কানদের দলপতি এঞ্জেলো ম্যাথিউস বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজও খেলতে পারছেন না ।দেশে ফিরে গিয়েছেন সীমিত ওভারের ক্রিকেটের এই অধিনায়ক।

আজ রোববার বাঁচা মরার লড়াইয়ে ‘ক্ষতবিক্ষত’ শ্রীলঙ্কার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না। ব্যাট হাতে, দুই ওপেনার মাসাকাদজা ও মিরের ব্যাটে ভালো সূচনার পরও সুবিধা নিতে পারেনি গ্রাহাম ক্রিমাররা। ব্যাটিং পাওয়ারপ্লেরে ভালো খেলার পর দশম ওভারে এসে মাসাকাদজাকে ফেরান ইনফর্ম থিসারা পেরেরা।ইনিংসের ১৫তম ওভারেই চার উইকেট হারিয়ে বসে জিম্বাবুয়ের দলীয়। রান তখন ৭৩।গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শুধু মাত্র টেলর করেছেন ৫৮ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেছে গ্রায়েম ক্রেমার। বাকিরা কেউই বলার মত কোন রান করতেই পারেনি।

শ্রীলঙ্কা দলে হাসারাঙ্গার পরিবর্তে মাঠে নামেন সান্দাকান। জিম্বাবুয়ের প্রথম চার উইকেটই তুলে নিয়ে থিসারা পেরেরা জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেন আর শেষের তিন উইকেট নিয়ে নুয়ান প্রদীপ বড় রান গড়ার পথকে সংকুচিত করেন। মাঝখানে দুই উইকেট নেন সান্দকান।এক রান আউট।

১৯৯ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও ব্যক্তিগত ১৭ রানে চাতারার বলে বোল্ড হয়ে সাঝঘরে ফেরেন থারাঙ্গা। এরপর ব্যক্তিগত ৪৯ রানে কুশাল পেরেরা, ৩৬ রানে মেন্ডিস ও ব্যক্তিগত ৭ রানে সাঝঘরে ফেরেন ডিকভেলা। জিম্বাবুয়ের হয়ে তিনটা উইকেট নেন মুজারাবানি। ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন গুণারত্নে। চন্দ্রিমাল ৩৮ রানে ও পেরেরা ৩৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।

ছবিঃ ইএসপিএন