স্পিনের ঘূর্নীতে বিপদে টাইগাররা

আহসান শামীম

লেগ স্পিনে টাইগারদের ব্যাটিং এ ধ্বস নামাল জিম্বাবুয়ে।জিম্বাবুয়ের এক স্পেলেই তছনছ হয়ে যায় বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ।উইকেট পতনে রানের চাকা থমকে যাওয়ায় চাপে থাকেন উইকেটে জমে যাওয়া তামিম। রান আটকে উইকেট নেয়ার পরিকল্পনার ফাঁদে পরেন তামিমও।

 তামিমের ওয়ান ডে তে ৬০০০ রান স্পর্শ করার পরই শুরু হয় জিম্বাবুয়ের অধিনায়কের বোলিং তান্ডব।এনামুলের বিদায়ের পর সাকিব ও তামিমের জুটিতে ভর করে বড় সংগ্রহের দিকেই যাচ্ছিল তারা।সাকিব অর্ধশতক পূর্ন হওয়ার পর বাজে শর্ট খেলতে গিয়ে আউট হন। সেখান থেকে হঠাৎই ছন্দ পতন বাংলাদেশের।  ১১২ রানের মাথায় সাকিব আউট হওয়ার পর দ্রুতই ফিরে গেছেন মুশফিক ১৮ রানে  আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২ রান করে।
সেঞ্চুরীর আক্ষেপ আবারো থেকে যায় তামিমের।বাংলাদেশের জন্য ঘাতক বোলার গ্রায়েম ক্রেমার ক্রিমারের গুগলি বুঝতে না পেরে পরাস্ত হন টাইগার ওপেনার।৭৬ রান করা তামিমকেও সাজঘরে পাঠান। তখন টাইগারদের দলীয় রান ৩২.২ ওভারে ১৬৪/৫।ক্রিমারের এক স্পেলে তিন উইকেট হারিয়ে বসা বাংলাদেশ দলকে আরও খাঁদের কিনারে নিয়ে যায় পেসার জারভিস। ইনিংসের ৪০তম ওভারে লেন্থ থেকে লাফিয়ে ওঠা বলে পুল শট খেলতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে থাকা সতর্ক আরভিনের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিনত হন সাব্বির।ঠিক পরের ওভারে এসে ফের টাইগার ক্যাম্পে আঘাত হানেন জারভিস। স্লোয়ার বলে থার্ড ম্যানে খেলতে যাওয়া নাসির ব্যাট বলে সংযোগ ঘটাতে ব্যর্থ হন। মিডেল অর্ডারের স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের দ্রুত বিদায়ে কঠিন বিপদে পরে যায় বাংলাদেশ।
মিডেল অর্ডারে ধ্বসের পর দুই বোলার মুস্তাফিজ ও সানজামুলের ব্যাটে বাংলাদেশের স্কোর দুইশর কাছাকাছি পৌঁছে যায়। ১৯ রানে সানজামুল আউট হলে রুবেল আর কাটার মাষ্টার মুস্তাফিজ  ১৮ মিলে দলকে ২১৬ রানে নিয়ে যায়, স্মরনীয় ১৪৬ রানে দুই উইকেট থেকে জিম্বাবুয়ের লেগ স্পিনে টিকতে না পারা টাইগার দল ৭০ রানে ৭ উইকেট হারায়।জয়ের জন্য জিম্বাবুয়ে ২১৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করবে।
ছবিঃ গুগল