বিপদে টাইগাররা

আহসান শামীম

চট্টগ্রামে টেস্ট অধিনায়কত্বের অভিষেক হলো মাহমুদউল্লাহর।অধিনায়কত্বের অভিষেক ম্যাচে অভিনব কিছু করে দেখাতে পারেননি তিনি। বাংলাদেশের বোলাররা প্রায় দুই শ’ ওভার (১৯৯.৩) বল করেছেন, তাঁদের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনতে অধিনায়ক ব্যর্থ। সাত সেশন ব্যাট করে, সাত বোলারের আক্রমণ ছিন্নভিন্ন করে বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (৭১৩) সংগ্রহ দাঁড় করেছেন হাথুরুসিংহের নতুন ছাত্ররা।

তিনজন স্পিনার মিলে বল করেছেন মোট ১৬৭.৩ ওভার। তাইজুল ইসলাম বল করেছেন ৬৭.৩ ওভার। এক ইনিংসে বাংলাদেশী কোনো বোলারের যা সবচেয়ে বেশি ওভার করার রেকর্ড। সাথে সাথে সবচেয়ে খরুচে তালিকাতেও নাম উঠে গেল তাইজুলের। ৪ উইকেট পেতে তাইজুল খরচ করেছেন ২১৯ রান।লঙ্কানদের বিপক্ষে তাঁর বোলিং ফিগার- ৬৭.৩-১৩-২১৯-৪।

ম্যাচ বাঁচানোর লড়াইয়ে থাকা বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শেষ সেশনে তামিম, ইমরুল আর মুশফিকের উইকেট বির্সজন।২৬.৫ ওভার ব্যাটিং করে ৩ উইকেট হারানো একটু বেশি গেছে বলে মনে করেন টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম।তাইজুল মনে করেন চতুর্থ দিনে উইকেটের ভাষা পাল্টাতে শুরু করেছে। শেষ দিনে আরও বিপজ্জনক কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছেন এই টাইগার বঁহাতি স্পিনার।

লঙ্কান ব্যাটিং তারকা নিরোশান ডিকওয়েলার মতে বাংলাদেশ দল উইকেট ধরে রাখার জন্য নেতিবাচক ব্যাটিং করেছে। তিনি মনে করেন এই ধরণের উইকেটে ইতিবাচক ব্যাটিং করাই উপযোগী।লঙ্কান এই ব্যাটিং তারকার মনে করেন, ‘ এই টেস্টে লঙ্কানদের  জয়ের খুব ভালো সুযোগ আছে। এটা খুব ভালো উইকেট। উইকেটের রাফ জায়গা থেকে এবং উইকেটের বাইরে থেকে টার্ন আসছে। আমরা আশা করছি কাল দিনটা ভালোভাবে শুরু করতে পারবো।’

বাংলাদেশের স্পিন কোচ সুনীল জোসি ম্যাচ শেষে অসেন্তোষ প্রকাশ করেন।মিরাজ-তাইজুলদের উপদেশ দিয়ে তিনি বলেন, “আমি মনে করি স্পিনারদের উচিত যথাযথ লাইনে বল করা।  আর টেস্ট ক্রিকেট হল ধৈর্য্যের খেলা।যার ধৈর্য্য যত বেশি, সে ততো সাফল্য লাভ করে।  আসলে স্পিনারদের উচিত ডটবলের জন্য বল করা।সেটা তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কনসিস্টেন্সি টেস্টের মূল।  আশা করি আমাদের স্পিনাররা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব শিখবে।”

ছবিঃ ইএসপিএন