আবারও হার…

আহসান শামীম

টাইগারদের টি-টুয়েন্টির সর্বোচ্চ ১৯৩ রান, লঙ্কানদের কাছে তুচ্ছ হয়ে যায়।ম্যাচের ১৭তম ওভারে ২০ বল ও ছয় উইকেট হাতে রেখেই রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়ে শ্রীলঙ্কা। পেরেরা ৩৯ ও শানাকা ৪২ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করে আসেন। মাত্র ৩০ বলে ৬৫ রান যোগ করে শ্রীলঙ্কাকে টি-টুয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে দেয়। আর এই হারের পর টাইগার অধিনায়ক রিয়াদের টি-টুয়েন্টির “বাজে” দলের তকমা মুছে ফেলার ইচ্ছা অপূর্ণই রয়ে গেল।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজের  প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে টাইগাররা।ইন্জুরী আক্রান্ত মুশফিকুর রহীম মাঠে নামলেও, নামতে পারেননি  তামিম ইকবাল।দীর্ঘদিন পর মাঠে নেমে,আম্পায়ারের ভুলে কপাল পুড়ল সৌম্যর । টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে নিজের সেরা ব্যাক্তিগত ৩২ বলে ৫১ রানের পর,লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে বল পিচ করার পরও সৌম্যকে লেগ বিফর আউট দেন আম্পায়ার আনিসুল হক।

আগে ব্যাট হাতে সৌম্য ও জাকিরের ব্যাটে দ্রুত রান তুলে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। ওভার প্রতি দশ করে রান তুলে টাইগাররা।সৌম্যর অর্ধশতকের পর মুশফিক ও রিয়াদের জুটি টাইগারদের  রাজত্ব বজায় রাখে।আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মাহমুদুল্লাহ ৪০ রান যোগ করে আউট হলেও লঙ্কান বোলারদের সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন মুশফিক।মুশফিকের হার না মানা ৬৬ রানের ইনিংস টাইগররা পাঁচ উইকেটে ১৯৩ রানের বড় পুঁজি গড়ে তোলে।লঙ্কানদের হয়ে সেরা বোলার ছিলেন জীবন মেন্ডিস।৩ ওভারে ২১ রান খরচায় ২ উইকেট নেন তিনি।

টাইগার ব্যাটসম্যানদের সফলতার বল হাতে বোলারদের ব্যার্থতা হারের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় টাইগারদের।একমাত্র বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল হাসান অপু ছাড়া বাকী বোলাররা সবাই ওভার প্রতি দশ রান খরচা করেছেন। অপু, রুবেল আর আফিফ উইকেটের দেখা পেলেও । লঙ্কান ব্যাটসম্যানের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে খেই হারায় টাইগারদের বোলিং অ্যাটাক।আজ টাইগার দলে ৪ নবীনের জাতীয় দলে অভিষেক হয়।১৮ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে সিরিজের শেষ টি-টুয়েন্টি।

ছবিঃ ইএসপিএন