নাস্তানাবুদ বাংলাদেশ

আহসান শামীম

টসে জিতে লঙ্কানদের ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক রিয়াদ।জয়ের জন্য ২১১ রানের বড় লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় শ্রীলঙ্কা। টসে হেরে ব্যাট করে লঙ্কানরা তুলেছে ৪ উইকেটে ২১০ রান। টাইগারদের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার এটা সর্বোচ্চ সংগ্রহ। সবমিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতেও শ্রীলঙ্কার এটা পঞ্চম সর্বোচ্চ সংগ্রহ।জিততে হলে টাইগারদের রানের রেকর্ড করতে হত। সেই পথে না হেঁটে ব্যাটসম্যানরা হাঁটলেন উইকেট বিলিয়ে আসার প্রতিযোগীতায়। ব্যাট হাতে টিকে থাকা মাহমুদউল্লাহ ৪১ রান করেই রান আউটে সাজঘরে ফেরেন। ২০ রানে ফেরেন সাইফউদ্দিন। ১১ রানে মেহেদী, ৮ রানে মোস্তাফিজ ও ২ রানে ফিরেন রাহী। ১৮.৪ ওভারেই ১৩৫ রানে অলআউট হয়ে যায় টাইগার ব্যাটিং লাইন।ফলে সহজে ৭৫ রানে ম্যাচ আর  টি-টোয়েন্টি সিরিজেও জয় পেল শ্রীলঙ্কা।

ব্যাট হাতে টাইগার বোলারদের নাস্তানাবুদ করে লঙ্কান দুই ওপেনার।দুই ওপেনারদের মধ্যে এগিয়ে ছিলেন গেল ম্যাচে ফিফটি করা মেন্ডিস। ১৭৫ স্ট্রাইক রেটে রান তুলছিলেন তিনি। ইনিংসের দশম ওভারে এসে ২৯ বলে টানা দ্বিতীয় ফিফটি স্পর্শ করেন মেন্ডিস।ম্যাচে ফিরতে ওপেনিং জুটি ভাঙ্গাতে ম্যাচের ১১তম ওভারে উইকেট আশায় সৌম্যকে বোলিংয়ে আনেন  মাহমুদুল্লাহ।অর্ধশতের পথে এগোতে থাকা  ওপেনার গুনাথিলাকাকে লং অনের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান সৌম্য।এটাই সৌমের প্রথম উইকেট।দলীয় ১৫২ , মাথায়,অভিষিক্ত রাহি থামালেন ভয়ঙ্কর পেরেরাকে।উইকেট শিকারে পিছিয়ে ছিলেন না মুস্তাফিজও। ৪২ বলে ৭০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা মেন্ডিসকে সাজঘরে ফেরান তিনি।লঙ্কানদের পক্ষে,  ৩৭ বল খেলে ৪২ রান করেন দানুশকা গুনাথিলাকা। ১৭ বল খেলে ৩১ রান করেন থিসারা পেরেরা। ১৩ বল খেলে ২৫ রান করেন উপুল থারাঙ্গা। ১১ বল খেলে ৩০ রান করেন দাসুন শানাকা।

সিলেটে সিরিজের রক্ষার লড়াইয়ে, একাদশে ফেরেন ওপেনার তামিম ইকবাল। একই সাথে দলে ফেরেন অল রাউন্ডার মেহেদী হাসান । আফিফ  হোসেনের জায়গায় দলে মোহাম্মদ মিঠুন। অভিষেক হলো আবু জায়েদের।সব মিলিয়ে চার পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে টাইগার দল।দল থেকে বাদ পরেন বাজে ফর্ম থাকা সাব্বির।টাইগারদের মতো রাহীর  অভিষেকের সাথে জড়িয়ে গেল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নাম।

ছবিঃ ইএসপিএন