আবারো পরাস্ত বাংলাদেশ

আহসান শামীম

একটা জয়ের জন্য মরিয়া টাইগার দলের জয় এলো না। টি-টুয়েন্টির বাজে দলের তকমাটা শুধু মজবুত হলো। ক্যাচ মিসের মহড়া আর পরিকল্পনাহীন ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জিতল ভারত।১৪০ রানের টার্গেট ভারতের মত দলের জন্য খুবই মামুলী ব্যাপার ছিল।৮ বল হাতে রেখেই জয়ের ৬ লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।৬ উইকেটে এই পরাজয়ের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে সূচনা থেকে আজ পর্যন্ত ছয় টি-টুয়েন্টির সব কটাতেই পরাজিত হলো।

শ্রীলংকার নিদাহাস কাপে টসে জিতে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত।ব্যাট হাতে ,তামিম সতর্ক ব্যাটিং করে গেলেও সৌম্য ছিলেন আগ্রাসী মনোভাবে।বেশিদূর যেতে পারেনি সৌম্য। তৃতীয় ওভারে ১২ বলে ১৪ রান যোগ করে উনাদকাটের বলে শর্ট লেগে ক্যাচ আউট হন তিনি।এরপর শট নির্বাচনের ভুলে বিপদে পড়েন তামিম। দলের ৩৫ রানের সময় ঠাকুরের বলে পুল শট খেলতে গিয়ে ১৫ রানে থেমে যায় তামিমের ইনিংস। দুই ওপেনারের বিদায়ে ক্রিজে আসা লিটন ও মুশফিক বাংলাদেশের স্কোর সপ্তম ওভারেই অর্ধশত পূর্ণ করেন।

এই ম্যাচ দিয়ে দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসি স্বীকৃত ৫০০তম ম্যাচ খেলতে নামলেন মুশফিক। এর আগে বাংলাদেশের পক্ষে এই কীর্তি ছিলো শুধুমাত্র বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের।মাইলফলক স্পর্শের দিনে  ১৩ বলে ১ ছয় এবং ২ চারের সাহায্যে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাঁকে। এই আউট নিয়ে কিছুটা বিতর্ক রয়েই যায়। রিপ্লে দেখে মনে হয়েছে বিজয়ের বলটা নো বল।অবশ্য থার্ড আম্পায়ার শ্রীলংকান রাভিন্দ্রা রিভিউ দেখে আউটের সিদ্ধান্ত দেন।৮ বলে খেলে ১ রানে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক রিয়াদ।

ধুঁকতে থাকা টাইগারদের কিছুটা সম্মানজনক পথ দেখান লিটন-সাব্বির জুটি।ব্যাট হাতে ব্যাটসম্যানরা ৪৭ টি ডট বল দেন।একরাশ হতাশা উপহার দিয়ে ব্যাটিং শেষ করা সাব্বির আর লিটন দাস ছাড়া কেউ তিরিশের কোঠায় রান করতে ব্যার্থ হন।শেষ পর্যন্ত ভারতকে ১৪০ রানের ছোট লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

ভারতের হয়ে দিনের সেরা বোলার ছিলেন জয়দেব উনাদকাট। তিন উইকেট শিকার করেন তিনি ।আরেক পেসার বিজয় শঙ্কর নিয়েছেন দুই উইকেট। আর টাইগারদের পক্ষে রুবেল দুই, মুস্তাফিজ আর তাসকিন একটা করে উইকেট তুলে নেন। ভারতের শেখর ধাওয়ার সর্বোচ্চ ৪৫ বলে ৫৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

ছবিঃ ইএসপিএন