প্রাণের উচ্ছ্বাস মিলে মিশে একটা খোলা বাতায়নে…

শিলা চৌধুরী

মেঘ ছুঁয়ে যাওয়া উঁচুতে

(ক্যালিম্পঙ থেকে):স্যাংসেই ফাটাক,ক্যালিম্পঙ থেকে নিঝুম রাত্রি। চারদিকে শুনশান নীরবতা। কোথায় যেন একটা নিশাচর পেঁচা ডেকে উঠলো। ঠিক ডেকে ওঠলো না, কেমন যেন ডুকরে ডুকরে কেঁদে ওঠলো। আচ্ছা ওর আবার কিসের কষ্ট?? ডানা মেলে রাতের এক প্রহর এখানে বাকী আরেক প্রহর ওখানে কাটাবে। ওর আবার কিসের কষ্ট থাকতে পারে !!! -সে তো হবেই। নীল কষ্ট,লাল কষ্ট । কত রংয়ের কষ্ট, কত দুঃখের ব্যঞ্জনা! কারও কারও কষ্টের রং এত গভীর যে ওখানে নীল রংয়ের ক্ষতগুলো খুব স্পষ্ট দেখা যায়। কারো প্রথম প্রহরের কষ্ট,কারো আবার ধূসর স্মৃতির আড়ালে মিশে যাওয়া কষ্ট!!! -যে কষ্টের প্রাণ আছে সে সব সময়ই কাঁদে আর কাঁদায়… কষ্টতো কোন অর্থ বোঝে না তার কি কাঁদার অধিকার আছে ।যে কষ্ট কোন সাক্ষী দিতে পারে না, যে কষ্ট শুধু একতরফা নিজের হৃৎপিন্ডকে ফালা ফালা করে দিয়ে যায় সেই কষ্টের কি দাম,। কিছু কষ্টের ক্ষত এত গভীর থাকে যে এগুলোর শেষটা খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিছু কষ্টের রংগুলো এত অন্ধকার থাকে যে সেখানে ডুব দিলে খুব সহজেই হারিয়ে যাওয়া যায়। কিছু কষ্ট থাকে যেগুলোর প্রবাহ কেবল বাড়তেই থাকে। কিছু কষ্ট থাকে যেগুলো তিলে তিলে নিঃশেষ করেও ক্ষান্ত হবে না কোনদিন। কিছু কষ্ট আছে যেগুলোর কাছে আজীবন নতজানু হয়ে থাকলেও এক চিলতে সুখ উপহার দিবে না। কিছু কষ্ট আছে যার কাজই হচ্ছে আজীবন কষ্টকে বুকের গভীর থেকে গভীরে আগলে রাখা। কিছু কষ্ট থাকে এটার কেন শেষ নেই …এটাই জীবন। তিলে তিলে নিঃশেষ হবার অপেক্ষায় থাকে শুধু… তবু মৃত্যু দূর থেকে টিপ্পনী কাটে । তপ্ত মরুভূমির বালুকাময় এক জীবন যেখানে মৃত্যুও প্রবেশ করতে ভয় পায় ঠিক সেখানে … এক সময়ে ঠিক পূর্বাশার আলো ফুটে উঠে বিনিদ্র আঁখির অপেক্ষার প্রহর শেষে.. ….ঠিক সেই সময়ে দু বছর আগে একটা ফোন, ,ওপারে কলি দি… লিখতে বসো… প্রাণের বাংলা আসছে… একটা কিছু হবেই …সঙ্গে থাকো.. দীর্ঘ প্রায় তেরো বছরের গোপন কষ্ট, .এক টুকরো আলোর দিশা খুঁজে পায়…কিন্তু কলম যে এগুতে ভুলে গিয়েছে এই দীর্ঘ বিচ্ছেদে… তবু ও চেষ্টা করি. .. আজ তিলোত্তমা কলকাতার সমতল ছেড়ে অনেক অনেক উঁচু পাহাড়ী গাঁয়ে…. দীর্ঘ মাঝের দু বছর অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে মেঘ ছুঁয়ে যাওয়া উঁচুতে . ..নীল খোলা আকাশ টা মনে হয় আমার ঘর. .. ঠিক তেমনি আমার আর আমাদের প্রাণের বাংলা আজ দু বছরে সবার খোলা একটা প্রিয় ভালোবাসার আকাশ … যেখানে নীল কষ্ট. ..লাল কষ্ট. .প্রানের উচ্ছ্বাস মিলে মিশে একটা খোলা বাতায়নে. .. তাই তো প্রাণের বাংলা…।

স্মৃতি সাহা

পুরো বাংলাকে প্রাণে ধারণ করে প্রাণের বাংলা

(নিউ ইয়র্ক থেকে):মার্চ মাস, বাংলা আর বাঙালীর জীবনে এক অনন্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে ইতিহাস রচনা করেছে বারবার। মার্চের ৭ তারিখে রেসকোর্স ময়দানে এক মহান নেতা রচনা করে গেছেন বাংলার স্বাধীনতার এক মহাকাব্য। আবার এই মার্চেই বাংলা দেখেছে ২৫শে’র এক কালো রাতের বিভীষিকা। আর ২৬শে মার্চ এসেছিল সব শোষণ, পরাধীনতার বিরুদ্ধে স্বাধীন বাংলার ঘোষণা। অনন্য এই মার্চের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতেই যেন ২৭শে মার্চ ২০১৬ তে আবির্ভূত হলো “প্রাণের বাংলা”। একটি অনলাইন পোর্টাল, যা সুচারুভাবে ধারণ করে বাংলা’র সংস্কৃতি, কৃষ্টি আর সাহিত্যকে। এক কথায় বলতে গেলে পুরো বাংলাকে প্রাণে ধারণ করে এই ” প্রাণের বাংলা”। বিশ্বের দরবারে বাংলার অসম্পাদিত ছবি যেমন প্রতিনিয়ত আঁকছে “প্রাণের বাংলা” তেমনি বৈশ্বিক রোজনামচাও আসছে এখানে সমানভাবে। বাংলাকে জানতে, চিনতে আর নিজেকে সমৃদ্ধ করতে ” প্রাণের বাংলা” সবসময় সহায়ক। প্রিয় “প্রাণের বাংলা”র জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।