মুখ খুললেন বাপ্পা …

বাপ্পা-তানিয়ার এনগেজমেন্ট নিয়ে গণমাধ্যম এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে আলোচনার বল গড়াচ্ছিল ক’দিন ধরে। শেষে এই ইস্যুতে ভুলবোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে ফেইসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে মুখ খুললেন বাপ্পা। পরিস্কার করলেন নিজের অবস্থান।তিনি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘মানুষ এর জীবনে এমন অনেক কিছু হয় যা হওয়ার কথা থাকে না। ব্যক্তিগত বিষয়গুলো জীবনের অংশ মনে করে জীবনের সাথেই রেখে দেয়া ভালো। আমাকে আমার সকল ভক্তরা আমার কাজ দিয়ে চেনেন, আমি আমার কাজ নিয়েই থাকতে চাই, বাঁচতে চাই সবার মাঝে। কি হবে ব্যক্তিজীবনের গল্প জনে জনে বলে? অন্যের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমি কখনোই আগ্রহী না যেমন ঠিক তেমন আমার ব্যক্তিগত জীবন ও কারো সাথে খুব একটা শেয়ার করা আমার বৈশিষ্ট না। তবে সময়ের কারণে আজ আপনাদের জানাতে হচ্ছে ….

জীবন তার নিজের গতিতে চলে। সময় কারো নিজের ইচ্ছায় চলে না। সময় খুব খেয়ালি। জীবন সময় কখন কাকে কোথায় নিয়ে ফেলে বোঝা মুশকিল। অনেক বছর একসাথে থেকে, থাকার চেষ্টা করে অবশেষে হার মানতে হয়েছে আমার আর চাঁদনীর। আমরা পারিনি আমাদের সংসার নিয়ে বাকি জীবন কাটাতে। কোনো অভিযোগ কিংবা অসম্মান আমার চাঁদনীর প্রতি নেই এমনকি চাঁদনীর ও আমার প্রতি কোনো অসম্মানবোধ আছে বলে মনে করিনা। যা হয়েছে তা ভাগ্যের লিখন মনে করি। গত ৯ অক্টোবর ২০১৭ আমাদের ডিভোর্সের আইনী প্রক্রিয়া শুরু হয় আর শেষ হয় ৯ জানুয়ারি ২০১৮ তে বিবাহের সমাপ্তিতে। আর আমরা আলাদা ছিলাম তাও ১ বছরের একটু বেশি সময় ধরে।

তানিয়া আমার বন্ধু। দারুণ একজন বন্ধু। তানিয়ার সাথে আমার যোগাযোগ এবং ভালোলাগাও। এর সূত্র ধরেই অতিসম্প্রতি আমি আমার ভাবনা তানিয়া কে জানাই, তানিয়াও তার ভাবনা আমাকে জানায়। আমরা আমাদের পরিবারের সানিধ্য ছাড়া জীবনে চলতে চাই না। তাই ২ পরিবারের সিদ্ধান্তে একান্তই পারিবারিক ভাবে আমাদের বাগদান হয়। আগেই বলেছি ব্যক্তিগত বিষয়গুলো আমি বরাবরই নিজের ভেতর রাখতে চাই। যেখানে পরিবার ইনভল্ভড সেখানে আর অপরিষ্কার কোনো চিত্র নেই। বাকিটা পরিবেশ আর পরিস্থিতি ।আপনারা প্রার্থনা করবেন।

আমার জীবনের সমস্ত ভালো মন্দ অধ্যায়ে আপনারা সাথে ছিলেন, বাকি জীবনেও থাকবেন সেই কামনা করি ।

ভালো থাকবেন !’

বিনোদন ডেস্ক

ছবি : বাপ্পা মজুমদারের ফেইসবুক