শখে নয়, কাজ করব ক্যারিয়ারের জন্য

ইমরুল শাহেদ : একটি সাময়ীকীর চিত্রসুন্দরী রাখী মমতাজ গত দেড় দশক থেকে অনেকটা থেমে থেমে মিডিয়া জগতে তার ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। তিনি ২০০৩ সালে শেষ চিঠি নাটক দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও মাঝে মাঝেই যাত্রাবিরতি করেছেন। তার মাঝেই তিনি অভিনয় করেছেন প্রায় শ’ তিনেক নাটকে। আট থেকে দশটি বিজ্ঞাপনচিত্রেও অভিনয় করেছেন। কাজ করেছেন টেলিফিল্মেও। কিন্তু পারিবারিক কারণে কখনো চিত্রনায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখেননি তিনি। 
রাখী মমতাজ বলেন, ‘শখ ছিল চলচ্চিত্রে কাজ করবো। পারিবারিক কারণে করা হয়ে উঠেনি। তবে এখন করবো। ব্যতিক্রমী ধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে চাই। সেভাবেই নিজেকে তৈরি করেছি।’
চলচ্চিত্রাভিনয়ের মাধ্যমে তারকা হিসেবে উদ্ভাসিত হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে অনেক নবাগতই আসেন। কিন্তু চলচ্চিত্রের অপরিচিত গণ্ডীতে ঘুরপাক খেতে খেতে এক সময় চলে যান সবার অলক্ষ্যে। গত এক দশকে কমপক্ষে পঞ্চাশাধিক নায়িকা এসেছেন। তাদের কেউই এই জগতে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেননি। তারপরও নতুনদের আগমনের প্রবাহ অব্যাহত আছে।
রাখী মমতাজ সেই গড্ডালিকা প্রবাহের নায়িকা নন। সেই সময়ে তিনি অনেক ছবিতে কাজ করার অফার পেয়েছিলেন। শাবনাজ, মৌসুমী, শাবনূর ও পপিদের উত্থানের কারণে নতুনদের জন্য একটা পথ খুলে গিয়েছিল। প্রযোজক পরিচালকরা নতুনদের উপর নির্ভর করতে পারতেন। এখন সেই পথ বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়। অনিশ্চিতও বলা যায়। রাখী মমতাজ যেহেতু চলচ্চিত্রের জন্য একেবারে নবাগত নন, সেহেতু তার জন্য কোনো অনিশ্চয়তাও নেই। বরং বলা যায় মিডিয়া জগতের চেনা-অচেনা পথে বিচরণ করতে গিয়ে তিনি পরিপক্কই হয়ে উঠেছেন।
ব্যক্তিগত বিভিন্ন কারণে থেমে থেমে কাজ করলেও রাখী জায়গাটা ছেড়ে যাননি। তিনি বলেন, ‘আগে কাজ করেছি শখে, ভালোলাগা থেকে। এখন কাজ করব ক্যারিয়ারের জন্য।’
নতুনভাবে কাজ শুরু করেই তিনি ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। কাজ শুরু করেছেন হাসান জাহাঙ্গির, কায়সার আহমেদ এবং আল হাজিনের নাটকে। আরও নাটকের কাজ হাতে আসছে। নিজের ক্যারিয়ার গড়ার মতো নাটকগুলোতে তিনি কাজ করছেন।
মাঝে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। সেখানে তার মামা এবং মামী থাকেন। তাদের কাছে এক মাস থেকে এসেছেন।