গল্পের প্রয়োজনে যৌনতা আসবেই …

টালিগঞ্জের পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় আর অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা এক ছবিতে কাজ করলেই সেখানে যৌনতার গন্ধ থাকবেই এমন অভিযোগ মানতে রাজি নন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা্। তার কথা হচ্ছে, এক এক জন পরিচালক এক এক ধারায় চলেন। অগ্নিদেবের ছবিতে নায়িকার ‘ফিজিক্যালিটি’ একটা বড় জায়গা জুড়ে থাকে। অন্য পরিচালক হয়তো সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানসিক চেতনার দিকটা বড় করে দেখান। এটাই স্বাভাবিক। গল্পের প্রয়োজনে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে তো যৌনতা আসবেই! সেটাকে অস্বীকার করা যায় না।

অন্যদিকে পরিচালক নিজেই তার নতুন সিনেমা ‘গহীন হৃদয়’ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমার অনেক ছবিতে যৌনতা একেবারেই নেই। তখন এই প্রশ্ন করা হয় না। এই গল্পের নায়িকা নিজেই অসম্ভব ফিজিক্যাল! আর সম্পর্কে যৌনতা আসতেই পারে। এটা ২০১৮! ইন্টারনেটের যুগে অ্যাডাল্ট সিন দেখার জন্য আমার ছবি দেখতে কেউ আসবে না! তার জন্য ইন্টারনেট যথেষ্ট।’

কলকাতায় ছবিটি বড় পর্দায় এখনো মুক্তি পায়নি। রিলিজ হয়েছে ট্রেইলর। আর তাতেই ঋতুপর্ণা এবং কৌশিক সেনের যৌনাত্নক দৃশ্যে সাহসী অভিনয় নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইউটিউবে সিনেমার ট্রেইলর আপলোড হওয়ার পরেই নেটের বাসিন্দারা ঝাঁপিয়ে পড়েছে ঋতুপর্ণার উপর।তাদের বাক্যবাণে নাজেহাল অবস্থা এই অভিনেত্রীর।

তবে নিজের কাজের ব্যাপারে কোনো কম্প্রমাইজ করতে রাজি নন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘কোনও দাম্পত্যে যদি ক্যান্সার ঢুকে পড়ে তাহলে সম্পর্কটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়? আর এমন এক দিনে এই ক্যান্সার নিজের উপস্থিতি জানান দেয় যখন মহিলা ঠিক করেছেন তিনি আর এই সংসারে থাকতে পারছেন না! এ রকম একটা মানসিক টানাপড়েনের ছবি ‘গহীন হৃদয়’। আমরা অনেকেই জানি না, আমাদের হৃদয়ে কী ঘটে চলছে! এই সিনেমাটির কথা মানুষ মনে রাখবে।’

ছবির গল্প বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘এক জন মহিলা, তাঁর ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামী। শাশুড়ির দায়িত্ব। অন্য দিকে প্রেমিক। কী হবে তার পর? সমাজও সোহিনী চরিত্রের মধ্যে দিয়ে বাস্তবের রূপটা দেখতে পাবে। এত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে থাকার পর এখন আমি যে চরিত্রই করব তার মধ্যে গভীরতা থাকবে যা মানুষকে ভাবাবে। সেই জায়গা থেকেই সোহিনী চরিত্রটিকে খুব আপন মনে হয়েছে।

বিনোদন ডেস্ক

তথ্যসূত্র ও ছবিঃ আনন্দবাজার পত্রিকা