মান-অভিমান ভুলে স্ত্রীকে সাহায্য করুন

shapma-rezaসংসার এক কুরুক্ষেত্র। রোজ সেখানে যুদ্ধ আর রক্তপাত। কিন্তু সে লড়াই অদৃশ্য। আমাদের জানার বাইরে ঘটে চলে সেই ক্ষরণ আর যুদ্ধ। প্রতিপক্ষ সংসারের স্বজনরাই। প্রাণের বাংলার এই বিভাগে আমরা সেই অদৃশ্য ক্ষরণের কাহিনি তুলে ধরতে চাই। আপনি জানাতে পারেন আমাদের সেসব কথা। গোপনীয়তা বজায় রাখার শর্তে আমরা প্রকাশ করবো সেইসব কাহিনি।আর আপনার সমস্যা বিচার করে আপনাকে উপযুক্ত সমাধান দিবেন অভিনেত্রী ও সঙ্গীত শিল্পী শম্পা রেজা।

আমার বিয়ে হয়েছে ২ বছর। আমার একটা দেড় মাসের বাচ্চা আছে।বাচ্চা হওয়ার পর থেকেই আমি লক্ষ্য করছি আমার স্ত্রী কেমন যেন দূরে সরে যাচ্ছে।আগের মতো সাজগোজ করে না।বাচ্চার দেখাশোনা ছাড়া যেন জীবনে আর কোন কিছুতেই তার স্পৃহা নেই।বাচ্চাটাতো আমারও আমিও ওকে ভালোবাসি।তা বলে সারাক্ষণ বাচ্চা নিয়ে আমার স্ত্রীর মতো মেতে থাকি না।আমাকে সে সারাক্ষন অবহেলা করে যাচ্ছে।আমি কিছু বললেই সে বলে আমি নাকি ছেলেকে হিংসে করছি।এও কি সম্ভব যে, বাবা হয়ে আমি ছেলেকে ইর্ষা করবো?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

বাসাবো,ঢাকা।

 সমাধান: আপনার স্ত্রী নতুন মা হয়েছেন।নতুন এই ভূমিকার সঙ্গে ওকে মানিয়ে নিতে সময় দিন।আপনার সমস্যার চরিত্র দেখে মনে হচ্ছে বাচ্চা দেখাশোনার ব্যাপারটিতে আপনি কিঞ্চিৎ উদাসিন।এব্যাপারে আপনিও আপনার স্ত্রীর সঙ্গে সমান তালে যোগ দিন।ওকে বলুন আমি বাচ্চা দেখছি তুমি একটু ঘুমিয়ে নাও।কিছু মনে করবেন না খুব কম পুরুষই বোঝেন এতটুকু বাচ্চা সামলাতে ম্যারাথন দৌড়ের কায়িক শ্রমের প্রয়োজন হয়।সুতরাং মান-অভিমান ভুলে স্ত্রীকে সাহায্য করুন। সময়ে সব ঠিক হয়ে যাবে।